বলরাম দাশ অনুপম :
কোন জনপ্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক নেতার তালিকায় নাম না উঠলেও কক্সবাজারের মানবিক জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের বদান্যতায় মহেশখালীর কংকর (ইট ভাঙ্গা) শ্রমিক সুরমী রানী দে প্রকাশ মরনীও পাচ্ছেন বিশেষ বাড়ি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত প্রতিটি ঘরহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলাজুড়ে কাজ করছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে সুরমী রানীকে বাড়ি করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

বুধবার কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর শ্রীশ্রী আদিনাথ মন্দিরে একটি আদিনাথ পর্যবেক্ষণ টাওয়ায়ের ভিত্তিপ্রস্তর করতে গেলে জেলা প্রশাসকের নজরে পড়েন মহেশখালী পৌরসভার বলরাম পাড়া গ্রামের কংকর শ্রমিক সুরমী রানী। এসময় সুরমীকে ইট ভাঙ্গতে দেখে সেখানে দাঁড়িয়ে পড়েন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। এসময় তিনি সুরমী রানীর সাথে কথা বলেন এবং তার সুখ-দুঃখের গল্প শুনেন। এসময় জেলা প্রশাসক সুরমী রানীকে জিজ্ঞেস করেন মা আপনার বয়স কত উত্তরে মরনী হ্যা স্যার ৩ কুড়ি। মানে ৬০ বছর।

গৃহহীন এই দুঃখী মানুষের কষ্টের কথা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি ঘর দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন মানবিক জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। ‘নামে নয় কর্মেই পরিচয়’ প্রবাদ বাক্যকে বুকে ধারণ করে বর্তমানে কক্সবাজারের সম্মানিত জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন শুধু একজন প্রশাসকই নন, মানবতার বন্ধু।

কংকর শ্রমিক সুরমী রানী জানান-তিনি জীবনের ভাবেন নি তিনি এরকম একটি সুখের সংবাদ পাবেন। তিনি জানান-হয়তো ভগবান তার কপালে লিখেছিলেন তাই একজন মানবিক জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঘর পেতে যাচ্ছেন। এদিকে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান জানান-জেলা প্রশাসক স্যার ব্যক্তিগত উদ্যোগে সুরমী রানীকে ঘর করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এজন্য তাদের জায়গা ঠিক করার পরামর্শও দেয়া হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •