মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

নারী শিক্ষায় অবদান, নারীর উন্নয়ন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২০’ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি), কক্সবাজারের রামু’র জোয়ারিয়ানালার বাসিন্দা প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

বুধবার ৯ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র পক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এমপি আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

পদকপ্রাপ্ত অন্য চারজন নারী হলেন, পেশাগত উন্নয়নের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে কর্ণেল (ডা.) নাজমা বেগম, নারীর আর্থ সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে মঞ্জুলিকা চাকমা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম মুশতারী শফি এবং নারী অধিকারের অবদানের ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা আক্তার।

‘নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ এবং পল্লী উন্নয়নে’ অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরুপ প্রতিবছর পাঁচজন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন পদক হিসাবে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ কে গণ্য করা হয়। প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যেগে দেশব্যাপি ‘বেগম রোকেয়া দিবস’ উদযাপন ও ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়ে থাকে।

রাষ্ট্রের মর্যাদাসম্পন্ন এই পদক প্রাপ্তিতে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার পরম করুণাময় আল্লাহতায়লার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। এ পদকের জন্য মনোনীত করায় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। একইসাথে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এমপি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারই কক্সবাজার জেলার প্রথম মহিলা যিনি রাষ্ট্রের মর্যাদাসম্পন্ন ‘বেগম রোকেয়া পদক’ পেলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •