সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
কক্সবাজারের নতুন ধারার শিশু শিক্ষা প্রতিসষ্ঠান মা’হাদ আন নিবরাসে হিফজ সম্পন্নকারি দুইজন শিক্ষার্থীকে পাগড়ী সম্মাননা (দস্তারবন্দী) প্রদান হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার (৭ ডিসেম্বর) মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কক্সবাজার পাহাড়তলী রহমানিয়া মাদরাসার মুহতামিম ও কক্সবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা সুলাইমান কাসেমী।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা জিয়াউল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক ইনকিলাবের কক্সবাজার ব্যুরো চীফ শামসুল হক শারেক।

দস্তারবন্দী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার খুরুশকুল অদুদিয়া তা’লিমুদ্দিন মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা এমদাদুল্লাহ হাসান, কক্সবাজার বিমানবন্দরস্থ জামিয়াতুল আবরার এর পরিচালক ও বিমানবন্দর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আতাউল করিম শফি, কক্সবাজার দারুল আরকাম তাহফিজুল কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা হাফেজ ইউনুস ফরাজী, ঈদগাহ আলমাছিয়া ফাজিল মাদরাসার প্রভাষক নাজিম উদ্দীন, অভিভাবক ও সম্মাননা পাওয়া শিক্ষার্থী সুহাইল আবরারের পিতা, ককসবাজার বিমানবন্দর জামে মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতিব মাওলানা সাইফুল্লাহ খালেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি স্বাগত বক্তব্যে বলেন, নানা কারণে ককসবাজার শহর আন্তর্জাতিক সিটিতে রূপ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক একটি সিটির চাহিদা অনুযায়ী পমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যেই আমাদের পথচলা। মানজিলে মাকসাদে পৌঁছানো হয়তো বহুদূর। লক্ষ্যপূরণের প্রত্যাশায় আমাদের অগ্রযাত্রা কিন্তু অব্যাহত রয়েছে অবিরামভাবে। মানুষ হিসেবে নগন্য হলেও অভিভাবক এবং হিতাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা আমার প্রতি অনেক। আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় হবে মা’হাদের মানোন্নয়নপূর্বক আকাঙ্ক্ষার প্রতিদান দেওয়ার পেছনে ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ মেহমান জনাব শামসুল হক শারেক তাঁর বক্তৃতায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে প্রকাশিত আামাদের ছোট্ট প্রকাশনা সাহিত্য সাময়িকী “নিবরাস” এর কথা জেনে বলেন, বড় বড় মনিষী প্রায়ই লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। উদাহরণ টেনে তিনি  বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট এপিজে আবদুল কালাম, মাওলানা আকরম খাঁ ইত্যাদি  সকলেই সাংবাদিক ছিলেন জানিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চা, লেখালেখিতে সংযুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •