শাখাওয়াত হোছাইন, পেকুয়া:
পেকুয়ায় ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকাসহ ব্যাগ নিয়ে পালালো এক যুবক। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ওই স্থান পরিদর্শন করেছেন। তবে ব্যাগভর্তি টাকা নিয়ে চম্পট দেওয়া ওই যুবক নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়ায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কলেজ গেইট চৌমুহনী মসজিদ মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
মগনামা ইউনিয়নের বাইন্যাঘোনা গ্রামের মৃত ছালেহ আহমদের ছেলে আবুল কালামের ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকাসহ একটি ব্যাগ নিয়ে চম্পট দিয়েছে তারই ঘনিষ্ট সহচর যুবক।
আবদু শুক্কুর নামক ওই যুবক ও আবুল কালামের মধ্যে ঘনিষ্টতা হয়েছে এক বছর আগে থেকে। সুত্র জানায়, ওই দিন আবুল কালাম ১৭ শতক জমির বায়না সম্পাদন করতে ৪লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে চৌমুহনীতে আসেন। টাকা ব্যাংক হিসাবের চেক বইসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ একটি ব্যাগ নিয়ে কালাম নিজ বাড়ি বাইন্যাঘোনা থেকে বের হন। পেকুয়ায় কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে এসে বন্ধু আবদু শুক্কুরকে সঙ্গী করে চৌমুহনীর দিকে রওয়ানা দেয়। কাসিম আলী দাতা ও আবুল কালাম বায়না গ্রহীতা। কাগজপত্র সম্পাদনের সময় টাকা ভর্তি ব্যাগটি বন্ধু আবদু শুক্কুরের কাছে জমা রাখেন। এ সময় আবুল কালামকে ফাঁকি দিয়ে টাকা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যান আবদু শুক্কুর। মুহুর্তের মধ্যে এ খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি পেকুয়া থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পুলিশ এসে চম্পট দেওয়া ব্যক্তিকে হন্য হয়ে খোঁজছিলেন।
আবুল কালাম জানান, আবদু শুক্কুরের বাড়ি সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী গ্রামে। এক বছর আগে থেকে পরিচয়। এরপর আমরা দু’জন ঘনিষ্ট বন্ধু। টাকার ব্যাগটি আমি তার হাতে জমা দিই। কিন্তু আমার অগোচরে ব্যাগ ও টাকা নিয়ে সে পালিয়ে যায়। মুঠোফোনে কিছুক্ষন যোগাযোগ ছিল। টাকা ও ব্যাগ ফেরত দেয়ার কথাও বলছিল। পরবর্তীতে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। বায়না দাতা বাইন্যাঘোনার মজু মিয়ার ছেলে কাসিম আলী বলেন, আমি ৩৪ শতক জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজকে দু’জনের মধ্যে বায়না হচ্ছিল। টাকা নিয়ে উধাও হওয়ায় বায়না সম্পাদন হয়নি।