বার্তা পরিবেশক:
গত ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখ কক্সবাজার রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নির্বাচিত হয়ে যথারিতি ইউনিটের কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
গত ২১/০৭/২০২০ ইং জাতীয় সদর দপ্তর পরিপত্র এর মাধ্যমে আমাদেরকে ইউনিট কার্য্য নির্বাহী কমিটির নির্বাচন ২০২০ ইং সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

উক্ত পরিপত্র মোতাবেক গত ২৮/০৯/২০২০ ইং ইউনিট কার্য্যনির্বাহী কমিটির সভার মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনাত কমিটি (নির্বাচন কমিশন) ২০২০ ইং গঠন করি। এবং যথারিতি জাতীয় সদর দপ্তরকে অবহিত করি ও ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ইং বার্ষিক সাধারণ সভার দিন ধার্য্য করে প্রতিনিধি পাঠানোর জন্য জাতীয় সদর দপ্তরকে চিঠি প্রেরণ করি। উক্ত নির্বাচন কমিশন ধারাবাহিক ভাবে তাদের কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং কক্সবাজারের বহুল প্রচারিত দৈনিক সকালের কক্সবাজার, দৈনিক হিমছড়ি ও দৈনিক দৈনদিন পত্রিকায় নির্বাচনী তপশিল (১০/১১/২০২০) ইং প্রকাশ করে।

ইতোমধ্যে জাতীয় সদর দপ্তর প্রতি হিংসামুলক ভাবে আমাদের কমিটি ভেঙ্গে দেয়। যার কারণে আমরা মহামান্য হাইকোর্টে ১টি রীট মামলা করি উক্ত মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট জাতীয় সদর দপ্তরের কমিটি ভাঙ্গার চিঠি কেন বেআইনী ও অবৈধ ঘোষনা করা হবে না মর্মে রুলনিশী জারী করেন এবং স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ যে, জাতীয় সদর দপ্তরের ১৯/১০/২০২০ ইং তারিখের তথাকথিত এডহক কমিটি গঠনের পত্রে দায়িত্ব হস্তান্তর কোন আদেশ না থাকায় এবং রেড ক্রিসেন্টের বিধি মালায় সৃষ্পষ্ঠ কোন নির্দেশনা না থাকায় সর্বোপরি আমরা উচ্চ আদালতের শরনাপন্ন হওয়ার ব্যাপারে জাতীয় সদর দপ্তরকে অবহিত করে আমরা দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখি।

এমতাবস্থায় মাননীয় চেম্বার জজ উক্ত আদেশের বিরোদ্ধে স্থগিতাদেশ দেয় এবং পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগে শুনানীর দিন ধার্য্য করে আগামী ১৭/জানুয়ারী/২০২১ ইং। যেহেতু মহামান্য সুপ্রীমকোর্টের আপিল বিভাগের পুর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সামনে বিষয়টি বিচারাধীন যা আগামী ১৭/জানায়ারী/২০২০ ইং শুনানী দিন ধার্য্য হয়েছে সেহেতু অনির্বাচিত তথা কথিত এডহক কমিটি কর্তৃক সাধারণ সভা আহবান করা এখতেয়ার বহির্ভুত এবং আদালত অবমাননার শামিল উপরোন্ত এসমস্থ কর্মকান্ডের ফলে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মত একটি মহান সংস্থার অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা ও ভাবমুর্তি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে অবিলম্বে তথা কথিত মূলতবী সাধারণ সভার কার্য্যক্রম বাতিল করার আহব্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় আমরা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনে বাধ্য হবো এবং উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য তারা দায়ি থাকিবেন।

এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ যে, প্রথম দিন তথাকথিত অবৈধ এখতেয়ার বহির্ভুত সাধারণ সভা ও কোরামের অভাবে মুলতবী হয়। অর্থাৎ সদস্যগণ তাদেরকে প্রত্যাখান করেন ফলে আইনত সে দিন কোন কার্য্যক্রমই সংঘঠিত হয় নাই এবং ২য় দিন কোন মূলতবী সভাই অনুষ্ঠিত হয় নাই। সভাপতি বা কোন তথাকথিত কর্মকর্তা বা কোন আজীবন বা বার্ষিক সদস্য উপস্থিত হন নাই। জন শূন্য মাঠে কোন মাইকের আওয়াজ ও শুনা যায় নাই। ফলত কোন সাধারণ সভাই অনুষ্ঠিত হয় নাই এবং এই সাধারণ সভায় গৃহিত কোন তথাকথিত সিদ্ধান্তের কোন বৈধতা নাই।

অথচ ইউনিট লেভেল কর্মকর্তা তার স্বভাব সূলভ প্রতারণার অংশ হিসাবে ফেইস বুকে এক লাইনের একটি সংবাদ দিয়েছেন মূলতবীর সভার মাধ্যমে সাধারণ সভার সমাপ্তি হল। কোন মূলতবী সভাই না হওয়ার পর ও এই ধরনের বক্তব্য দেওয়ায় ইউনিট লেভেল অফিসার আজরুল সফদার এর দুর্নীতি চর্বিতাত করার অভিসন্ধি থেকে সে সমস্ত বাড়াবাড়ি করছে যা সদস্য গণের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •