বার্তা পরিবেশক :
পিবিআই’র জমি অধিগ্রহণে জালিয়াতি ও বিপুল টাকা লোপাট এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের জন্যও অধিগ্রহণে জালিয়াতির পাঁয়তারার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ইদ্রিস সিআইপি, নূরুল হক ও বেলায়েত হোসেনের নাম উল্লেখ করে একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের ভুক্তভোগীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তছলিমা বেগম গংয়ের পক্ষে নাসির উদ্দীন, এইচ এম নুরুল আলম, ইলিয়াছ সওদাগর, জাহাঙ্গীর আলম, আতাউল্লাহ, কাউসার, মোঃ শরীফ আদনান, নুরুল আলমসহ আরো কয়েকজন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অতি সম্প্রতি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই’র জন্য স্থায়ী কার্যালয় নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। ঝিলংজা মৌজার আওতাধীন কক্সবাজার শহরের কলাতলীস্থ ২০৩০৭, ২০৩০৬, ২০১৬৩ ও ১৭০৫০ দাগের এক একর জমি পিবিআই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ওই জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে বড় ধরণের জালিয়াতিতে লিপ্ত হয় ঈদগাঁওয়ের মৌলানা রশিদ আহামদের পুত্র ও বর্তমান মধ্যম বাহারছাড়ার বাসিন্দা নুরুল হক, গর্জনিয়া এলাকার সুলতান আহামদের পুত্র বর্তমানে সৈকতপাড়ার বাসিন্দা ইদ্রিস সিআইপি ও মহেশখালীর সিরাজ আহমদের পুত্র বর্তমান আদর্শগ্রাম এলাকার বাসিন্দা বেলায়তে হোসেনসহ একটি সিন্ডিকেট। পিবিআইয়ের জন্য নির্ধারিত ওই জায়গায় আমাদের স্বত্ত¡ দখলীয় জমি রয়েছে। কিন্তু জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আমমোক্তারনামায় ভিন্ন জায়গার দাগ দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্র সৃজনসহ নানাভাবে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়তসহ জালিয়াত সিন্ডিকেটটি অধিগ্রহণ শাখার দুর্নীতিবাজ লোকজনের সাথে যোগসাজস করে আমাদের অংশের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
তারা দাবি করেন, মোহাম্মদ ইদ্রিছ সিআইপি নামের এক ভূমিদস্যু, নুরুল হক একজন প্রতারক এবং বেলায়েত প্রতারক সন্ত্রাস, দখলবাজি, প্রশাসনের সোর্স পরিচয়দানকারী। এই তিনজনের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অসাধু লোকজনের মাধ্যমে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা মৌজার ২০৩০৭, ২০৩০৬, ২০১৬৩ ও ১৭০৫০ দাগের এক একর জমি অধিগ্রহণ করার সাথে জড়িয়ে পড়ে। চক্রটি নানা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পিবিআই’র জমি অধিগ্রহন প্রকল্প থেকে ইতোমধ্যে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় আমরা একাধিক ভূক্তভোগী সরকারের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করেছি। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে কয়েকটি আদালতে মামলাও দায়ের করেছি। মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে। তারপরও তারা আমলাদের যোগসাজস এবং টাকা দিয়ে কোনো বিচার পাচ্ছি না।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পিবিআই’র জন্য জায়গা অধিগ্রহণে আরএস আরএস খতিয়ান ১৯৫০ এবং দাগ নং ৮০০৪/৮৯২১ থেকে অনুমোদন দেয়া। একই সাথে জেলা পিবিআই থেকে পাঠানো প্রতিবেদনেও একই খতিয়ান ও দাগ উল্লেখ করা হয়। দুদকের প্রত্যয়নপত্রে একই দাগ উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এই খতিয়ানের জায়াগা না হলেও আধাকিলোমিটার দূরে অবস্থিত চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের জমি নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েত গং নিজেদের নামে আমমোক্তার নেয়। সেই আমমোক্তার নামায় রেজিস্ট্র অফিসের কতিপয় কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে জালিয়াতির মাধ্যমে ১৯৫০ এবং দাগ নং ৮০০৪/৮৯২১ এর অনৈতিক ভাবে অন্তর্ভুক্ত করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসব জালিয়াতির ঘটনায় আমরা প্রতিকার পেতে ১০/১২ টি মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেছি। এর প্রেক্ষিতে ০৯/১০/২০১৯ ইং তারিখ তৎকালীন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অজিত দেব মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরো অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার কার্যক্রম স্থগিত করে দেন। এই সংক্রান্ত নোটিশ বিবাদীর কাছে ইস্যু করে। কিন্তু পরবর্তীতে ১০/১১/২০১৯ ইং তারিখ ওই সিন্ডিকেটের হোতা নূরুল হক প্রকৃত স্বত্ববানদের না জানিয়ে ক্ষতিপূরণ চেক প্রাপ্তি আবেদন করেন। তবে তার এই অবৈধ আবেদনের বিষয়টি আমরা তদন্ত কমিটির রিপোর্টের মাধ্যমে অনেক পরে জানতে পারি যখন টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। তার এই আবেদনের বিষয়টি ওই জমির যারা প্রকৃত স্বত্ববান বা অভিযোগকারীরা কেউ জানে না। এই ভিত্তিতে অন্য স্বত্ববানদের কোনো ধরণের আমমোত্তারনামা না নিয়ে কিন্তু করোনার মহামারির লকডাউনের ভেতরেই পিছনের তারিখ দিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তে¡ও নিজ ও স্ত্রীসহ নিজস্ব মানুষ এবং আরো নামে-বেনামে কোটি কোটি হাতিয়ে নেয় নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েতের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট।
অন্যদিকে এল এ ১৩/৯১-৯২ নং মামলা মুলে তৎকালীন সময়ে ১৯৯১ সালে অধিগ্রহণকৃত ২০৩০৬ দাগ থেকে ০.৮৩ একর জমির অধিগ্রহণ সড়ক করে জনপথ বিভাগ। ওই দাগে সড়কের দক্ষিণপাশে অবশিষ্ট ছিলো আর মাত্র ০.৯ শতক জায়গা। অবশিষ্ট ০.৯শতক জমি পিবিআইয়ের অধিগ্রহণের আওতায় পড়ে। কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে অবশিষ্ট ০.৯ শতকের নাম দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত আরো ০.৯ শতকসহ ০.১৮ শতক অধিগ্রহণ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই সিন্ডিকেট। এতে সরকারের ০.৯ শতক জমির টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েতের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট যে কোটি কোটি টাকা তুলে নিয়েছে সেখানে রয়েছে ১২৩৩৬, ৮৫৭৬, ১৩,১৭৬, ৯১৭৮, ১২,৬১৪ নং বাতিল ও স্থগিত খতিয়ান। ১৬/০৪/২০১৯ ইং তারিখের এক অবৈধ আমমোক্তার নামা দিয়ে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের ১৩৩৬৫ নং ২০৩০৭ দাগের জায়গা একবার টাকা উত্তোলন করে। ওই অবৈধ আমমোক্তার নামা বাতিল না করেই পুনরায় ০২/১২/২০১৯ তারিখ একই দাতা থেকে আবার একই অবৈধ আমমোক্তার নামা নিয়ে আবার টাকা উত্তোলন করে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ০৩/০৮/২০০৪ ইং তারিখের ২৩৭৩ নং কবলা মুলে ২০৩০৬ ও ২০৩০৭ দাগের ১৯.৬৬ শতক ক্রয় করেন এবং ১১৩৩৪ নং নামজারি খতিয়ান সৃজিত হয় সেলিম রেজা গং। তখন থেকে সীমানা প্রাচীর দখল ও বাড়িঘর নিয়ে সেখানে অবস্থান করছে এই গং। এই নামজারি খতিয়ান নিয়ে দেওয়ানী মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এমতাবস্থায় নূরুল হক ৫০৮১ নং ভুয়া আমমোক্তারনামা দিয়ে রাজস্ব শাখার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বশে নিয়ে টাকা উত্তোলন করে এবং একই আমমোক্তার দিয়ে ১১/১০/২০২০ ইং তারিখ নথি গোপন করে সেলিম রেজা গংয়ের উপরোল্লেখিত খতিয়ান থেকে ১৭.৬৬শতক জমি বাতিল করে নেয়- যা সম্পূর্ণ অবৈধ। ওই জমিগুলোই বর্তমানে বিভিন্ন ভুয়া ও অবৈধ আমমোক্তারনামা নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশকে দেয়ার পাঁয়তারা করছে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, লকডাউনের সময় অফিস বন্ধ থাকলেও পিছনের তারিখ দিয়ে নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েতের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেটের নামে অবৈধভাবে চেক ইস্যু করে এলও শাখার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। এমনকি নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপির বাসায় ও বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে গিয়ে এসব অবৈধ চেক স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এই সিন্ডিকেট। কোনো স্বত্ববানরা সেখানে উপস্থিত না থাকলেও তাদের চেক গ্রহণ করেছে নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি। দু’য়েকজন স্বত্ববানকে দেখিয়ে অবৈধভাবে অন্যান্য স্বত্ববানদের টাকা নিজ, স্ত্রী এবং নামে-বেনামে লোকজনের নামে হাতিয়ে নিয়েছেন এই চক্রটি। নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েতের নামীয় যৌথ ও পৃথক মার্কেন্টাইল ব্যাংক ঝিলংজা শাখা ও সোস্যাইল ইসলামী ব্যাংক কক্সবাজার শাখায় তদন্ত করে দেখলে টাকার উৎস পাওয়া যাবে। এই সিন্ডিকেট জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে তারা স্ত্রী-সন্তানসহ স্বজনদের নামে মূল্যবান জমিজমা কিনছে- যা রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশী করলে তথ্য পাওয়া যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েতের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেটের জালিয়াতির কারণে এ অবস্থায় মারাত্মক জটিলতা তৈরি হওয়ায় জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া আইনগতভাবে এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। বর্তমানে ইদ্রিছ, নুরুল হক ও বেলায়েত সিন্ডিকেট পুলিশের এক পরিদর্শকের মাধ্যমে আবারও বিরোধপূর্ণ একটি জমি ট্যুরিষ্ট পুলিশের জমি অধিগ্রহন প্রকল্পের আওতায় আনতে মাঠে নেমেছে। ওই পুলিশ পরিদর্শক পিবিআইতে থাকাকালীন পিবিআই জমি অধিগ্রহন কেলেঙ্কারির জন্ম দিয়েছেন। মূলত তিনিই এই ন্যাক্কারজনক জালিয়াতির হোতা। পিবিআই অধিগ্রহণ প্রকল্প থেকে বিপুল অংকের ভাগ পেয়ে তার লোভ আরো বেড়ে গেছে। কিন্তু আশ্চর্য্যজনক বিষয় হলেও সত্য যে, লবিংয়ের মাধ্যমে পিবিআই থেকে বদলী ওই পুলিশ কর্মকর্তা ট্যুরিস্ট পুলিশে যোগ দিয়েছে এবং নানা ফন্দি-ফিকির করে তিনি আবার ট্যুরিস্ট পুলিশের জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার সাথে সাথে জড়িত হয়েছেন বলে আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি। তিনি প্রকাশ্যে এবার ট্যুরিস্ট পুলিশের জন্য বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে তৎপরতা চালাচ্ছেন। কাকতালীয়ভাবে পিবিআই’র জন্য নির্ধারণ করা জায়গার পাশেই আমাদের স্বত্ত¡-দখলীয় অবশিষ্ট জায়গাতেই ট্যুরিস্ট পুলিশের জন্য অধিগ্রহণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা এবং নূরুল হক, ইদ্রিস সিআইপি ও বেলায়েতের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট ইতিমধ্যে কোস্টাল পীস হোটেল ও লাইভ ফিশ রেস্টুরেন্টে দফায় দফায় বৈঠক করছে বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ হয়েছে। কক্সবাজারের সকল পুলিশ সদস্য বদলি হলেও আর্শ্চয্যজনকভাবে ওই পুলিশ পরিদর্শক ট্যুরিস্ট বদলি হয়ে কক্সবাজারেই থেকে গেছেন!
অভিযোগ মতে, সন্ডিকেটের প্রধান এই তিন সদস্য মিলেই পিবিআই’র জমি অধিগ্রহনে বড় কেলেঙ্কোরির জন্ম দিয়েছেন। পিবিআই’র জমি অধিগ্রহন থেকে টাকা নিয়ে তারা আবার দীর্ঘদিনের দখলদারকে গোপন করে আপিল মামলা করে নথি গোপনের মাধ্যমে খতিয়ান বাতিল করেন। এখন উক্ত সিন্ডিকেট সদস্যরা বিরোধপূর্ণ জমির আপিল মামলা করে খতিয়ান বাতিল ও নানা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজ সৃজন এবং দফায় দফায় মারধর ও হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষের জমি দখল করে তাতে সাইনর্বোড টাঙ্গিয়ে দিচ্ছেন। এসব ঘটনায় পক্ষে-বিপক্ষে হামলা ও মামলা হয়েছে। এ ধরণের একটি বিরোধপূর্ণ জমি সিন্ডিকেটটি ট্যুরিস্ট পুলিশের জমি অধিগ্রহন প্রকল্পে যুক্ত করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে তৎপরতা চালাচ্ছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের দায়িত্ব প্রাপ্তরা ভুল তথ্য দিয়ে উচ্চ পর্যায়ে বিভ্রান্ত করছে। যার ফলে জায়গাটি অধিগ্রহণ হলেও আমাদের জায়গাগুলো বেহাত এবং আইনী প্রক্রিয়া প্রকৃত স্বত্ত¡বান হিসেবে আমাদের টাকা পাওয়া নিয়ে চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ উক্ত বিরোধপূর্ণ জমি নির্বাচন না করলে দখল, হামলা, মামলা এক দিনেই বন্ধ হয়ে যাবে। ভুক্তভোগীরা উক্ত সিন্ডিকেটের খপ্পর থেকে রক্ষা পেতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা আমাদের স্বত্ত¡ীয় জমির ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় অপরাধী হয়ে গেছি। আমাদের ন্যায্য টাকা তুলতে চেষ্টা করা এবং জালিয়াত চক্রের জালিয়াতি ও টাকা লোপাটের প্রতিবাদ করায় জালিয়াতকারী ইদ্রিস সিআইপি, নুরুল হক ও বেলায়েত আমাদেরকে মিথ্যা মামলা, হামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করছে। এমনকি প্রতিনিয়ত নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। এমনকি সাধারণ মানুষ যারা আমাদেরকে সহযোগিতা করে বা করতে চায় তাদেরও নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায় এই প্রতারকেরা। এই সাংবাদিক সম্মেলন করার পর আমাদের মিথ্যা মামলা, হামলাসহ নানাভাবে নির্যাতন ও হয়রানি করতে পারে। এটা আপনাদের অবগত করে রাখছি। ভবিষ্যতেও আমরা সব ধরণের হয়রানি ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে আপনাদের সহযোগিতা চাই।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •