সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
পরিবেশ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে কক্সবাজার জেলার অতি চমৎকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ওমাইর এতিমখানা।

এখানের নিয়ম শৃঙ্খলা এবং মনোমুগ্ধকর পরিবেশ আমাকে অত্যন্ত বিমোহিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের একজন দরদী অভিভাবক হিসেবে শিক্ষা-দীক্ষা ও আর্থিকভাবে এতিম ও অসহায়দের স্বাবলম্বী করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলাসহ সারা দেশে অসংখ্য কলেজ-ভার্সিটি ও বিদ্যালয়ের পাশাপাশি অগণিত এতিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোডে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির এতিম ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ ফরিদুল আলম এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের ক্যাপিটেশন গ্রান্টভুক্ত ওমাইর এতিমখানার সভায় তিনি আরো বলেন, অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অবলোকন করে আমি খুবই চমৎকৃত হয়েছি।

এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা সালাহুল ইসলামকে সাথে নিয়ে এতিম শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস, রান্নাঘর এবং ডাইনিং রুম পরিদর্শন করে অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেন সমাজসেবা উপপরিচালক মোঃ ফরিদুল আলম।

তিনব এতিমখানার পরিদর্শন বইয়ে নিজের চমৎকার অভিব্যক্তি মন্তব্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কক্সবাজার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মোঃ শফি উদ্দীন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জনাব মোঃ সিরাজ উদ্দিন।

এর আগে সকাল দশটায় অতিথিবৃন্দ এতিমখানায় আগমন করলে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা সালাহুল ইসলাম তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাদের শুভাগমনে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এতিমখানার পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন নির্বাহী পরিচালক হাফেজ ক্বারি ওসমান।

এতিমখানার শিক্ষক মাওলানা আমিনুল্লাহর সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন- মুহাদ্দিস আল্লামা আব্দুল গফুর নদীম, সুপার হাফেজ ইহসানুল হক, মুহাদ্দিস মাওলানা ইউনুস, শিক্ষা পরিচালক মুফতি আলতাফ।

এতে ওমাইর এতিমখানার বালক ও বালিকা শাখার ছয়শোর্ধ্ব ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •