১ ডিসেম্বর ২০২০ ইংরেজী দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত “রামুতে স্বত্বঃদখলীয় জমি জবর দখলে মরিয়া প্রভাবশালী চক্র হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে পরিবেশন করা হয়েছে। সংবাদে যে জমিটি আমরা জবর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন পৈত্রিক সূত্রে ২৪৩৫ নং দাগের ২৩৫নং খতিয়ানের ৫শতক জমির মালিক মৃত ফুরুখ আহাম্মদ। যার উত্তরাধিকার সুত্রে আমরা এই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছি এবং উক্ত জমিতে আমাদের বাড়ি নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে এই জমিতে আবার নতুন করে জবর দখলের কথাটি সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। এদিকে দীর্ঘদিন যাবত নানা ভাবে জায়গাটি জবর দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করে আসছিলো স্থানীয় এক ভুমি লিপ্সু শাহাজাহান ও তার ছেলে মোর্শেদুর রহমান। তার দাবী সে মোক্তার আহাম্মদ এর স্ত্রী ছমুদা খাতুনের কাছ থেকে জায়গাটি ক্রয় করেছে। কিন্তু ছমুদা খাতুনের সাথে ইতিপুর্বে জমি নিয়ে আমাদের সাথে বিরোধ দেখা দিলে উভয়ের অভিযোগ বিবেচনা করে বিচার শালিশ অনুযায়ি সমস্ত জমির কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে স্থানীয় ইউপি সদস্য রোকন উদ্দিন, ইউপি সদস্য লিটন বড়ুয়া, মেরংলোয়া সমাজ কমিটির নেতা কেফায়েত উল্লাহ, এনামুল হক সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিগণ দ্বারা আমরা ফুরুখ আহাম্মদ গং এর পক্ষে ডিক্রি পাই। এক পর্যায়ে আমরা ফরোখ আহাম্মদ গং উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া জায়গাতে বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করলে ভুমিদস্যু শাহজাহান ও তার ছেলে মোহাম্মদ নিয়াজ পরিকল্পিত ভাবে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে জায়গায় গিয়ে ভাংচুর চালায়। হামলার ঘটনায় আমরা সন্ত্রাসী ভূমিগ্রাসী চক্রের বিরোদ্ধে রামু থানায় অভিযোগ দায়ের করি। এদিকে হামলাকারী শাহাজান গং ও আমাদের বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। আমরা ফুরুখ আহাম্মদ গং এসব বানোয়াট কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রকাশ করা প্রতিবেদনের বিরোদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। এসব মিথ্যা সংবাদে প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
আবদুর রহিম
পিতাঃ ফুরুখ আহাম্মদ,

কালা মুনিয়া,
সোহেল রানা সোহেল
পিতাঃ রশিদ আহাম্মদ
সাংঃ মধ্যম মেরংলোয়া, ফতেখাঁরকুল, রামু।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •