– খোরশেদ আলম

রাজশাহী’র বাঘা উপজেলার কর্দুবাশা গ্রামের আম বাগান বাড়িতে গাছে গাছে অতিথি পাখির আনাগোনা, পাখির কলতান । দর্শনার্থীর ভিড় । কিন্তু আম বাগানের ক্ষতি হওয়ায় বাগানের মালিক পাখি তাঁড়িয়ে দেয় এতে স্হানীয় লোকজন এর বিরোধিতা করে । একজন আইনজীবী হাইকোর্টে রীট করে এবং রায়-ও হয় যেন সরকার বাগানের মালিককে ক্ষতিপুরণ দেয় ও পাখির জন্য অভয়ারণ্য হিসেবে ঐ বাগান ভাড়া নেই । সরকার তাই করে ফলে এখন পাখির উপস্থিতি বেড়ে যায় , পর্যটক – দর্শনার্থীর ভিড় বাড়ে ।

আমাদের কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া গ্রামে কয়েক বসতি বাড়ির গাছে অতিথি পাখির আনাগোনা ছিল, পাখির কিচির-মিচির ছিল , দর্শনার্থীর ভিড় ছিল এখন তা আর দেখা যায় না । রোহিঙ্গা শরণার্থী আসার পর থেকে তাদের অত্যাচার, ঢিল ছঁুড়া ইত্যাদির কারণে অতিথি পাখিরা আর আসে না । এব্যাপারে জেলা প্রশাসক মহোদয় রাজশাহী’র বাঘা উপজেলা’র সেই কর্দুবাশা গ্রামের মত উদ্যোগ নিতে পারে টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া গ্রামের সেই অতিথি পাখির জন্য অভয়ারণ্য সৃষ্টি করে ।

আমাদের দেশে অনেক জায়গায় পাখিদের বিচরণ আছে যদি সরকার হাইকোর্টের সেই রায়কে সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়ে পাখিদের জন্য বাসা ভাড়া করে তাহলে পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্তের সুচনা ঘটবে বলে আমি মনে করি ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •