সিবিএন ডেস্ক:
প্রথম ধাপে পৌরসভার ভোট হচ্ছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে অন্তত ৬০টি পৌরসভায় ভোট নেওয়া হবে মধ্য জানুয়ারিতে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে।

রোববার ৭৩তম নির্বাচন কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। এর আগে সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে এ সভা হয়। সন্ধ্যায় কমিশন সভার সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন ইসি সচিব।

এবার চার ধাপে পৌরসভা নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে প্রথম ধাপে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ২৫টি পৌরসভায় ইভিএমে ভোটের তফসিল দেওয়া হয়েছে। তিন শতাধিক পৌরসভার মধ্যে আরো প্রায় ১৭০ পৌরসভা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন উপযোগী রয়েছে। আজকের কমিশন সভায় এ বিষয়ে সার্বিক আলোচনা হয়েছে।

কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘তিনটি ধাপে ১৬৯ পৌরসভায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট মধ্য জানুয়ারি, তৃতীয় ধাপের ভোট জানুয়ারির শেষের দিকে, আর চতুর্থ ধাপের ভোট হবে মধ্য ফেব্রুয়ারিতে।‘

দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভাগুলোর ভোটের তফসিল চলতি সপ্তাহে দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন ইসি সচিব। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ধাপে ইভিএমে ভোট হবে ৩০টির মতো পৌরসভায়। বাকিগুলোয় ব্যালটে ভোট হবে। শীতকাল হওয়ায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। দ্বিতীয় ধাপের তফসিল খুব তাড়াতাড়ি হবে। কর্মপরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন করলেই তফসিল দেওয়া হবে।

দেশে পৌরসভা রয়েছে মোট ৩২৯টি। আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যেই পৌরসভার ভোট করতে হয়। স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর ২০১৫ সালে প্রথম দলীয় প্রতীকে ভোট হয় পৌরসভায়। সেবার ২০টি দল ভোটে অংশ নেয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালে ২৪ নভেম্বর পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ৩৬ দিন সময় দিয়ে ভোটের তারিখ দেওয়া হয় ৩০ ডিসেম্বর। একদিনে ভোট হয় ২৩৪টি পৌরসভায়। বাকিগুলোয় মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ বিবেচনায় ও বিভিন্ন জটিলতা সেরে ভোট হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •