আলমগীর মানিক, রাঙামাটি
রাঙামাটির কাউখালীতে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া কিশোরী ভাগ্নীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে ভিকটিমের পরিবার।
বৃহস্পতিবার রাতে ভিকটিমের মা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে বিয়ে করার প্রলোভনে ধর্ষণ করার অপরাধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী (২০০৩) এর ৯(১) ধারায় অভিযুক্ত মামা মোঃ ফারুক (৪০) এর বিরুদ্ধে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে যাহার নাম্বার-০৯, তারিখ-২৬/১১/২০২০ইং।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদ উল্লাহ মামলার দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।
মামলার এজাহারে বাদি (ভিকটিমের মা) উল্লেখ করেছেন, পোমরা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া তার কন্যার সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পরিবারের অগোচরে
অভিযুক্ত ফারুক তার মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ফারুক ভিকটিমের সম্পর্কে মামা হলেও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিগত কয়েক মাসে একাধিকবার ধর্ষণ করে মেয়েটিকে। পরবর্তীতে গর্ভবতী হয়ে মেয়েটির পেটে ব্যাথা শুরু হলে মায়ের কাছে সম্পর্কের বিষয়টি খুলে বলে। মেয়ের মা বিষয়টি স্থানীয়বাসিন্দাসহ জনপ্রতিনিধিকে বিষয়টি জানালে তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বলে। পরে ধর্ষণের বিয়ষটি কাউখালী থানা পুলিশকে লিখিত আকারে জানালে পুলিশ ভিকটিমের বক্তব্য শুনে এবং ভিকটিমের মা কর্তৃক লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মেয়ের মা মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, পরিবারের সদস্যরা বেতবুনিয়া বাজারে গেলে ঘরে একার থাকার সুযোগ নিয়ে ফারুক তার কিশোরী মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকিও প্রদান করেছে। এতে করে মেয়েটি মাসিক বন্ধ হয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ শহিদ উল্লাহ জানিয়েছেন, কাউখালী উপজেলাধীন এক নং বেতবুনিয়া ইউপি’র কাশখালী মৌজার ডলুছড়ি এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত ধর্ষক ফারুককে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •