কফিল উদ্দিম রামু:

রামুর চৌমহনী স্টেশন,আমি সেই স্থানে আসলাম দেশের উত্তর প্রান্ত থেকে, একটু তৃষ্ণা পেয়েছে, পানি পান করতে গেলাম খিজারি সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের টিউবওয়েলে। পানি খেয়ে তৃষ্ণা মেটালাম, কথাটি ঢাকায়া রামুর ফকিরাবাজারের কাপড় ব্যবসায়ী গোলাম সরওয়ারের। সেই দৃশ্যটা হয়তো দেখা মিলেছিল ২০০৯ সালে। লোক মুখের কথা থেকে ধারনা করা যায় তৎকালীন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহি উদ্দিন আল ফারুকের তত্বাবধানে হয়েছিল সেই টিউবওয়েলটির স্থাপনা।

তবে এখন ঠিক তারই বিপরীত প্রতিক্রিয়ার দেখা মেলে,কালের পরিবর্তনে হয়তো হারিয়ে যাচ্ছে অনেক পুরনো সৌন্দর্য বর্ধক স্মৃতি। রামু চৌমহনী স্টেশনের উত্তর পশ্চিম পাশে অবস্থিত ময়লা আবর্জনা দিয়ে বেষ্টিত সেই টিউবওয়েলটি। দেখলে হয় যেন এক কাঠ দন্ড দাড়িয়েঁ আছে ময়লা আবর্জনার স্তুুপের মাঝে। কিন্তু সেটি হল মানুষের জীবন বাচাঁনোর একটি পদার্থ পানি উৎপাদনের একটি উৎস।

রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সুমথ বড়ুয়া জানালেন,রামুর চৌমুহনীর স্টেশনের পাশে থাকা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের একমাত্র নলকূপটি নষ্ট হওয়ার কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা যাত্রী কষ্টে পড়েছে। এটা মেরামত করে যাত্রীদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।

রামু লাইন ও কক্সলাইনের ড্রাইভার আবু কালাম বলেন: আমরা সেই টিউবওয়েল থেকে ২০১৪/১৫ সালের দিকে গাড়ি থামানোর পরে হাত মুখ ধুয়ে পরিষ্কার হতাম,অনেক যাত্রী তাদের তৃষ্ণা নিবারণ করত,এমনকি কিছু কিছু সময় গোসলও করতাম,কিন্ত এখন আর তা পারি না আমরা,,ময়লা আবর্জনায় ভরপুর হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে সেই টিউবওয়েলটি,আমরা এটাকে খুব শ্রীঘ্রই সংস্কার করা হবে বলে আশা করি।

রামুর সচেতনমহলের ধারনা করছেন: এটি যদি সংস্কার করা হয়,তাহলে পথচারী ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষের বিশুদ্ধ পানির কষ্ট কিছুটা দুর হবে। তবে এখন টিউবওয়েলের পাশে রয়েছে নানারকম বর্জ্যের পাহাড়,যার কারনে চৌমহনীর আশপাশ দৃষিত হচ্ছে পরিবেশ। তারা আশা করেন সংলিষ্ট কতৃপক্ষের সুজনর পড়বে এই টিউবওয়েলটির উপর। ফিরে পাবে রামুর সেই পুরনো পরিবেশ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •