রেজাউল করিম রেজা, পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য নিজ অর্থায়নে সড়কের উপর স্থাপন আরসিসি কালভার্ট এবং মধুখালী-বনকাননের তিন কিলোমিটার সড়কের সংষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বৃহত্তর পাহাড়ী জনগোষ্টির জন্য স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজ,হাসপাতাল ও বাজার ঘাটে যাতায়াত করতে সুবিধার পাশাপাশি ৩০ হাজার মানুষের মুখে ফুটেছে হাসি আর স্থবির হয়ে যাওয়া স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়েছে সচল।

জানা গেছে টইটং ইউপির মধুখালী-বননকানন সড়কের একটি কালভার্টটি বিধ্বস্ত হয়ে যায় ২০১৯ সালের শেষের দিকে। এই কালভার্টের কারনে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থেমে যায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পরে একটি বছর।

এ দিকে কিছু দিন আগে একই ইউপির জাকের হোছাইন সড়ক সংষ্কার ও বিধ্বস্ত কালভার্টটি আরসিসি কালভার্ট নির্মাণ ও বনকানন-মধুখালীর তিন কিলোমিটার সড়কের খানা খন্দকে বালি, ইট,কংকর ও মাটি ভরাটের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন শেষ করেছে।

সরেজমিন পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা গেছে মধুখালী মোস্তাক সওদাগরের দোকানের পশ্চিম পাশ পার্শে নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কালভার্ট ও সড়ক সংষ্কারে তার ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। আনোয়ার হোসেন শুভ, ইমরান, এলাহাদাদ, মাছ ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ উল্লাহসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তার এ উদ্যোগ আমরা কখনো ভূলবনা। সরকার কখন দিচ্ছে সে দিকে তাকিয়ে না থেকে জাকের হোসেন নিজেই সড়ক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে।

এ ব্যাপারে জাকের হোসেন জানান, মানুষ যখন দুর্ভোগে ছিল আমি এর প্রয়োজনীতা অনুভব করেছি। আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয় করে কালভার্ট নির্মান করেছি। লম্বাঘোনা থেকে বনকানন পর্যন্ত সড়কে বালি ও মাটি ভরাট করেছি।

গত বছর মধুখালীতে কালভার্ট নির্মাণ করেছি। এ বছর আমি ৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছি নিজ পকেট থেকে। টইটং ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান হাজী শাহাব উদ্দিন বলেন, আসলে এটি একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা তাকে নিয়ে গর্ববোধ করছি। টইটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান,আমি বিষয়টি জেনেছি। সমস্ত টাকা জাকের হোসেন ব্যয় করেছে। সড়ক সংষ্কার ও কালভার্ট নির্মাণে প্রচেষ্টা ছিল তার একক।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •