cbn  

ইশরাত মোঃ শাহ জাহান, মহেশখালী :

মহেশখালীর ছোট মহেশখালী সিপাহির পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দীর্ঘ ৩ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ভেঙ্গে ফেলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্হানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর। কিন্ত ৩ বছরের অধিক সময় পার হয়ে গেলেও শুরু হয়নি সিপাহীর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সিপাহির পাড়া-বানিয়ার দোকান সড়কের ব্রিজের পুন: নির্মাণ কাজ।

ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বিগত ২০১৮ সনের শুরুর দিকে ভেঙ্গে ফেলা হয়। পরবর্তীতে খালের উপর দিয়ে কাঠের তৈরী বিকল্প সাঁকো তৈরী করা হয়।
কাঠের তৈরী ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দীর্ঘ ৩ বছর ধরে স্থানীয় জনসাধারণ অপারগ হয়ে ব্যবহার করে আসছে।বর্তমানে তা অনেকটা ব্যবহার অনুপযোগী।
শুকনো মৌসুমে কোনো রকম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমের কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল যেন জীবন মরণ খেলা। ব্রিজের যে খাল রয়েছে তাতে পানির অবস্হা যেন প্রতিনিয়ত জোয়ার ভাটার মতো।

বর্তমান সরকারের আমলে মহেশখালীতে উন্নয়নের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান। কিন্তু শুধুমাত্র হচ্ছে না তাদের স্বপ্নের ব্রিজটি। এতেকরে স্হানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে।
নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সরেজমিন ১৯ ই নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) উপজেলার ছোট মহেশখালীর সিপাহির পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সিপাহির পাড়া-বানিয়ার দোকান সড়ক ঘুরে দেখা যায়- বর্ষার মৌসুমে উক্ত সড়কে পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানি কাঠের সাঁকোর উপর দিয়ে চালাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এ সড়কের কাঠের সাঁকোর উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজারো কৃষক, পান চাষী, ও স্হানীয় জনগোষ্ঠী চলাফেরা করতেছে।
সড়কের ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের সিপাহির পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন যে খালটি রয়েছে এলাকাবাসীদের উদ্যোগে উঠার উপর কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। একবছর যে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়, তা পরের বছর চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই প্রতিবছরই কাঠের সাঁকো নির্মাণ করতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। এই কাঠের র সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে যাচ্ছে।

স্হানীয় বাসিন্দা রবিউল হুসাইন বলেন, তাঁরা প্রতিদিন এই কাঠের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। স্হানীয় জনপ্রতিনিধির দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি সড়কটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার ও ব্রীজ নির্মাণ করার দাবি জানান। এ বিষয়ে জানতে স্হানীয় ছোট মহেশখালী ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ না করাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •