সিবিএন ডেস্ক:
প্রথমে মিয়ানমার থেকে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে কক্সবাজার, পরে কক্সবাজার থেকে সড়ক ও নৌপথে ইয়াবা ছড়িয়ে পড়ে চট্টগ্রাম শহর ও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায়। এরপর এসব ইয়াবার চালান ছড়িয়ে পড়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও।

আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এসব কথা জানিয়েছেন ইয়াবার বিনিময়ে অস্ত্র সংগ্রহ মামলায় গ্রেপ্তার মো. ফোরকান (৩০) নামের এক যুবক। বুধবার (১৮ নভেম্বর) মহানগর হাকিম হোসেন মোহাম্মদ রেজার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় ওই যুবক।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) শাহাবুদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৫ নভেম্বর নগরীর বাকলিয়ার নতুনব্রীজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আব্দুর রাজ্জাক (২১) নামের ওই যুবককে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুইটি ম্যাগাজিন সহ আটক করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। পরে রাজ্জাকের তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ থানার লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করে মো. কামাল (৪০) ও বাকলিয়া এলাকা থেকে মোবারক নামের দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবারকের তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে নগরীর আন্দরকিল্লা থেকে মো. ফোরকানকে গ্রেপ্তার করে তার চাঁন্দগাওয়ের বাসা থেকে ২২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রির নগদ ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৫৪২ টাকা সহ ইয়াবা লেনদেন কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবহৃত এবং অব্যবহৃত ১২ টি চেক বই, ফোরকান ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ২টি পাসর্পোট জব্দ করে পুলিশ। এছাড়া ফোরকানকে সহযোগিতা করার অপরাধে ফোরকানের স্ত্রী শামীমা আরা সুমি (২৮) ও তার ভাগিনা রাসেলকেও (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়। -সিভয়েস

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •