সিবিএন ডেস্ক:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম লুৎফর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার জাহানের কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় তারা দুজনেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, তাদের কোন উপসর্গ ছিল না। তবে গত ২-৩ দিন ধরে জ্বর ছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করেও জ্বর সারছিল না। রবিবার সকালে করোনা পরীক্ষার জন্য পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। সোমবার সন্ধ্যায় প্রাপ্ত রিপোর্টে তাদের উভয়েরই করোনা পজিটিভ আসে।

নমুনা দেওয়ার আগ থেকেই তারা হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তারা শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন বলে জানান।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির শুরু থেকেই উপজেলার সর্বত্র চষে বেরিয়েছেন এসিল্যান্ড একেএম লুৎফর রহমান। বিদেশফেরত লোক, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের হোম আইসোলেশন নিশ্চিতকরণ, মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক, অবাধ চলাফেরা নিয়ন্ত্রণসহ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রেখেছেন এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পাশাপাশি উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতিও তিনি। করোনার সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম নিতে না পেরে সে ব্যাপারে বাজার মনিটরিং-এর দায়িত্ব পালন করেন এ কর্মকর্তা।

এদিকে গত মাস দুয়েক আগে পাকুন্দিয়া থানার ওসি হিসেবে যোগদান করেন সারোয়ার জাহান। যোগদানের পর থেকেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি উপজেলার সর্বত্র চষে বেড়ান। বিভিন্ন হাটবাজার, সংগঠন, মসজিদ, মন্দিরে ছুটে বেরিয়েছেন তিনি। সাধারণ লোকজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে নিজেই করোনায় আক্রান্ত হলেন।

উল্লেখ্য, পাকুন্দিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম লুৎফর রহমান কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। দায়িত্ব পালনে তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন।
শুদ্ধাচার চর্চা বিষয়ক বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করায় ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার-২০১৯’ পেয়েছিলেন চৌকস এই অফিসার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •