বিশেষ অবদান রাখায় চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরীকে সম্মাননা তুলে দেন কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল আলীম মোল্লা।

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া

বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন, কক্সবাজার জেলা কমিটি এবং চকরিয়া পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে বুধবার ১১ নভেম্বর সকাল ১০টায় চকরিয়া পৌরসভার কার্যালয় চত্বরে প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির আহবানে বান্দরবান, কক্সবাজার জেলা ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মোট ১৪ পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভাটি সমাবেশে রূপ নেয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি খোরশেদ আলম। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী।

চট্টগ্রামের ১৪টি পৌরসভার অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে রাখেন পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল আলীম মোল্লা।

শুরুতে প্রতিনিধি সমাবেশটির উদ্বোধক ছিলেন, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু রাশেদ মো: জাহেদ উদ্দিন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও বিল্ডিং পরিদর্শক মো: রাজিফ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান খন্দকার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উপদেষ্ঠা ও চকরিয়া পৌরসভার সচিব মাসুদ মোর্শেদ, মাধবদী পৌরসভার সচিব কাজী মোস্তফা কামাল, বান্দরবান পৌরসভার সচিব তোহিদুল ইসলাম, চন্দনাইশ পৌরসভার সচিব মো: মহসিন, বোয়ালখালী পৌরসভার সচিব মোশারফ হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল মওলা, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক কামাল উদ্দিন ও পৌরসভা সার্ভিস এসোসিশেয়নের নেত্রী স্মৃতি।

এছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ পৌরসভার প্রকৌশল লুৎফুর রহমান, চকরিয়া পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা: লোকমান, উপ-সহকারি প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি ধর, হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা সফায়েত হোসেন, দোহাজারী পৌরসভার উপ-সহকারি প্রকৌশলী জমির উদ্দিন, চকরিয়া পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বশির আহমদ, সভাপতি মোস্তাক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল মোস্তফা, কক্সবাজার পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মাবুদ রাজন, মহেশখালী পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, চকরিয়া পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক কামাল হোছাইন, কর নির্ধারক ফরিদুল আলম, উচ্চমান সহকারি ওসমান গণি, সহকারি কর আদায়কারী নুরুল আবছার মুনীরি, এমরানুল হক, ছলিম উল্লাহ বদরী, সেনেটারী পরিদর্শক হায়দার আলী, পরিছন্নতা পরিদর্শক আবুল কালাম, অফিস সহকারি আবদুল হামিদ, সার্ভিয়ার নুরুচ্ছমদ, সহকারী বাজার আদায়কারী জানে আলম, রিদোয়ানুল হক, রাশেদ কামাল, সহকারি লাইসেন্স পরিদর্শক আওলাদ কামাল, ঠিকাদানকারী সুপারভাইজার নাজেম উদ্দিন, চম্পক, রফিক, লতিফ, মিনহাজ, রুবি, কম্পিউটার অপারেটর দিদার, পৌরসভার আমিন শফিকুল কাদের, ফরিদুল আলম (বিদ্যুৎ), রফিকুল আলম, চালক রুবেল, জিয়া, জোবাইর, নুরুল আবছার। এছাড়াও বাঁশখালী পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শামসুউদ্দিন, সাতকানিয়া পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা একরামুল হক, লামা পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি তানফিজুর রহমানসহ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, বাশখালী, সাতকানিয়া, বান্দরবান, লামা, টেকনাফ, মহেশখালী ও কক্সবাজার পৌরসভা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকগণ বক্তব্য রাখেন।

প্রতিনিধি সমাবেশে কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল আলীম মোল্লা বলেন, “অবসরে গেলে পেনশনভাতা ও মাস শেষে পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে দিতে হবে”। এই একদফা দাবী আদায়ের লক্ষে সংগঠনের ন্যায্য ও শান্তিপূর্ন কর্মসূচী দিয়ে দাবী আদায় করতে হবে। তাই চলতি ২৮ নভেম্বর ২০২০ ইং (সম্ভাব্য) পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে আমাকে পূন:রায় সভাপতি পদে দায়িত্ব অর্পন করলে আমি আগামী দিনের আন্দোলনকে আরও বেগমানের মাধ্যমে একদফা দাবী আদায়ে সক্ষম হবো। এছাড়াও তিনি আইন সংশোধনের মাধ্যমে আমাদের সকল পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও পেনশনভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে দেওয়ার জোর দাবী জানান। এদিকে অনুষ্ঠিত সমাবেশে চকরিয়া পৌরসভার লক্ষাধিক পৌরবাসির নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে সমাজসেবা ও পৌরসভার উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায়, মেয়র আলমগীর চৌধুরীকে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন কেন্দ্রীয় পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আলীম মোল্লা। পাশাপাশি দক্ষ সংগঠক ও বলিষ্ট নেতৃত্বের কারণে এবং সফল সভাপতি হিসেবে আবদুল আলীম মোল্লাকে কক্সবাজার জেলা ও চকরিয়া পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দরা বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন এবং আগামী দিনে একদফা দাবী আদায় আন্দোলন কর্মসূচীতে আলীম মোল্লার নেতৃত্বে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •