“আমার কক্সবাজার” একটি অনলাইন পোর্টালসহ কয়েকটি গণমাধ্যামে কক্সবাজার বিআরটিএ অফিসে, কম্পিউটার অপারেটর জামসেদ ঘুষ ছাড়া কাজ করে না ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত শিরোনামে সংবাদটিতে আমাকে জড়ানো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। যা শুধু মাত্র শাক দিয়ে মাছ ধরার অপচেষ্টা।
আমি প্রতিবাদকারীর বক্তব্য হলো, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর হয়ে “বিএমটিএফ” বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটির প্রজেক্টের ডিজিটাল রেজিট্রেশন ও ডিজিটাল নাম্বার প্লেট এর প্রায় দেড় বছর ধরে সুনামের সাথে কর্মরত আছি। সেই কারণে বিআরটিএ অফিসে বসে আমার কাজ করতে হয়। কিন্তু ওখানে সরকরি কোন আমার পোষ্ট নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সাথেও আমার কোন সর্ম্পক নেই, সুতরাং সেখানে কোন ঘুষ বাণিজ্যের বিষয় হাস্যকর। আর আমার উপধ্বস্ত সরকারি ৩জন সরকারি কর্মকর্তা আছে। তাদের উপস্থিতিতে তাদের অফিসে বসে ঘুষ বাণিজ্য করা এটি অবান্তর বিষয়। মূল বিষয় হলো একই পোষ্টে চকরিয়ার বরইতলি এলাকার সাদেক নামের এক ব্যক্তিও কাজ করতো। কিন্তু বিভিন্ন অনিয়মের কারণে কোম্পানি তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেছে। তখন থেকে সে আমার পিছো লেগেছে। নানা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং আমার চাকুরি ঠেকানোর জন্য আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নানা মিথ্যা অপবাদে লিপ্ত রয়েছে। এছাড়া একসময় গ্রাহকদের সার্ভিসকালীন একটি ভিডিও ধারণ করে সে। বর্তমানে এটিকেও পুঁজি করে আমাকে ফাঁসানোর ফাঁদ পাতছে। এছাড়া সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে কু-রুচিপূর্ণ ও মনগড়া সংবাদ প্রচার করাচ্ছে। শুধু তা নই, মিথ্যা সংবাদটি করার পর বিভিন্ন সাংবাদিক ভাইেেদর দিয়ে আমাকে ফোন করাচ্ছে। মূলত এটি শুধু মাত্র শাক দিয়ে মাছ ধরার অপচেষ্টা।

তাই সাংবাদিক ভাই প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা বস্তু নিষ্ট ও সঠিক তথ্যপাত্যের ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশন করুণ। এতে দেশ-সমাজ উপকৃত হবে। না হয় আপনাদের একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদে দেশের যুব সমাজ বিপদগ্রস্তের দিকে পথিত হবে। পাশাপাশি আমাকে জড়িয়ে যে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছে এতে সেবাপ্রার্থীসহ কাউকে ভিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মোহাম্মদ জামসেদ আলম
কম্পিউটার অপরাটর (বিএমটিএফ)
বিআরটিএ শাখা, কক্সবাজার