সিবিএন ডেস্ক :
জো বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তিনি আমেরিকার ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট।

দ্যা গার্ডিয়ানের তথ্যানুসারে, তিনি ২৮৪টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছেন, অর্থাৎ তিনি জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, যদিও তা নির্ভর করবে আইনগত চ্যালেঞ্জের ফলাফলের ওপর।

গার্ডিয়ান বলছে, বর্তমানে বাইডেনের সংগ্রহে রয়েছে ২৮৪ ইলেকটোরাল ভোট, যেখানে ম্যাজিক ফিগার ২৭০। ফলে বাইডেনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজের মসনদে বসছেন। তবে শেষ খবর পওয়া পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংগৃহে রয়েছে ২১৪ ইলেকটোরাল ভোট।

সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, পেনসিলভানিয়ায় জয়ের মধ্য দিয়ে বাইডেনের ঝুড়িতে যোগ হয়েছে আরও ২০ ইলেকটোরাল ভোট। এছাড়াও নাভাদা ও জর্জিয়ার মতো রাজ্যেও এগিয়ে রয়েছে বাইডেন।

এদিকে শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাইডেন বলেন, এ নির্বাচনে আমরা জয়ী হতে চলেছি। বিজয় ঘোষণা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য আমি কাজ করব। সে আমাকে ভোট দিক আর না-ই দিক। কারণ আমরা কেউ কারও শত্রু নই। আমরা সবাই মার্কিন নাগরিক।

হোয়াইট হাউসে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার আগেই রানিং মেট কমলা হ্যারিসকে নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা জিততে চলেছি। নেভাডাতে আমরা লিড করছি। পেনসিলভেনিয়াতে সামান্য পিছিয়ে আছি। বিগত ২৪ বছরে প্রথম ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে আমি অ্যারিজোনা জিতে নিয়েছি। মাত্র কয়েক বছর আগে যে নীল দেয়াল ভেঙে পড়েছিল। আমরা তা আবার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। পেনসিলভেনিয়া, মিশিগান উইসকনসিন- আমেরিকার হৃদয়। আজ পর্যন্ত জীবনে সর্বাধিক ভোট পেয়েছি আমি। ৭৫ মিলিয়ন ভোট পেয়েছি এখনও পর্যন্ত।

তিনি আরো বলেন, মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। মহামারি করোনা, জলবায়ুর পরিবর্তন, বর্ণবিদ্বেষ প্রভৃতির বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য জনতা এই রায় দিয়েছে। আমরা চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি মাত্র। তবে আমরা বসে নেই। ইতিমধ্যেই আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি।

তিনি জানান, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। দেশে করোনার সংক্রমণ মারাত্মক হারে বেড়ে চলেছে। প্রথম দিন থেকে আমরা করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নামব। প্রত্যেকটা জীবন বাঁচানোই আমাদের লক্ষ্য।

পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে চাঙ্গা করে তোলা যায়, তার পরিকল্পনাও চলছে। তবে আমাদের এখনও একটু ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ সব ভোট গোনা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ভোট গণনায় অনেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আমরা তা হতে দেব না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •