সেলিম উদ্দিন, ঈদগাহ

বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে সাজ্জাদ হোসেন (২২) নামের এক দোকানীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে নগদ ১০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপর্যুপরি ছুরির আঘাতে মুমর্ষ সাজ্জাদকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহষ্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড হরইখোলা মসজিদ সংলগ্ন দোকানে ঘটে ঘটে এ ঘটনা।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ছুরিকাহত সাজ্জাদ হোসেন বর্ণিত ইউনিয়নের হরইখোলা গ্রামের নুরুল কবিরের পুত্র। সে উক্ত এলাকার মুদি দোকানদার।

সাজ্জাদের পিতা নুরুল কবির জানায়, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন। এসময় ছেলের শোর চিৎকারে তিনি দ্রুত দোকানে গেলে তৎক্ষনাৎ অভিযুক্ত একই এলাকার আজমীর হোসেন মুসা পালিয়ে যায়।

কেন বা কি কারনে আমার ছেলেকে মুসা ছুরিকাঘাত করেছে আমি জানিনা।
তবে জানে মেরে ফেলতে ছুরিকাঘাত করেছে বলে তিনি দাবী করেন।

ঘটনার সময় দোকানের মালামাল তছনছ করে নগদ ১০ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আহত সাজ্জাদ বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মুসা আমাকে জানে মেরে ফেলতে ছুরিকাঘাত করে।

কেন ছুরিকাঘাত করেছে জানতে চাইলে সাজ্জাদ বলেন, আমার সাথে তার কোন শক্রুতা নেই। এদিন সকাল থেকে আমি দোকানে ছিলাম। বাকবিতন্ডার পর মুসা পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে ছুরি এনে এলোপাতাড়ি আঘাত করে।

এসময় আমি বাঁধা দিতে গেলে দোকানের ক্যাশ বক্স থেকে ১০ হাজার টাকা লুট করে মালামাল তছনছ করে মুসা।

একপর্যায়ে চিৎকার দিলে আশপাশ থেকে স্থানীয় জসিম, সাইফুল, আবছার এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত মুসা ছুরি পেলে সটকে পড়ে।

সাজ্জাদের পিতা নুরুল কবিরের অভিযোগ, মুসা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, সে প্রকাশ্য জুয়ার আসরে বসে ও মাদক ব্যবসা করে।
আমার পুত্র এলাকায় ছোট্র মুদি দোকান করে সংসার চালায়।

তিনি আরো বলেন, মুসার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এমন কোন অপকর্ম নেই সে করে না।

সে অবৈধ কর্মকান্ড পাকাপোক্ত করতে আমার পুত্রকে ছুরিকাঘাত করে জানে মেরে ফেলার চেষ্টা চালিয়েছে।

আমি তাৎক্ষনিক ঘটনাটি স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার অানোয়ার হোসেনকে অবহিত করি এবং
চকরিয়া থানা পুলিশের হস্থক্ষেপ কামনা করছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •