মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ‍যুদ্ধাপরাধ মামলায় ঢাকায় কারান্তরীণ মহেশখালীর ছালামত উল্লাহ খান (৮৫) আর নেই। মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ভোর ৬টা ৫৫ মিনিটে ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি–রাজেউন)।

মরহুমের সন্তান কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার জেলা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গোলাম ফারুক খান কায়সার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মরহুম ছালামত উল্লাহ খান ২০১৫ সালের ৩ মার্চ যুদ্ধাপরাধের মামলায় আটক হয়ে ঢাকাস্থ কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। সেখানে তিনি কিডনী, হৃদরোগ ও ফুসফুসে জনিত রোগে গুরতর অসুস্থ হলে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের অধীনে মুমূর্ষু অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মরহুম ছালামত উল্লাহ খান সেখানে মঙ্গলবার শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন।

ছালামত উল্লাহ খান মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালীর ফকিরাঘোনার মরহুম হামিদ বক্স ও মরহুমা সুয়াজান বিবি’র পুত্র।

পুৃত্র এডভোকেট গোলাম ফারুক খান কায়সার জানান, যুদ্ধাপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে তার পিতার মৃতদেহ কারাগার কর্তৃপক্ষ রিলিজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে মরহুম ছালামত উল্লাহ খান এর মৃতদেহ ট্রাইব্যুনাল ও জেল কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর মরহুম ছালামত উল্লাহ খান এর মৃতদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এডভোকেট গোলাম ফারুক খান কায়সার জানান, তার পিতার মৃতদেহ কক্সবাজারে আনার পর প্রথমে কক্সবাজার শহরে ও পরে মহেশখালীর ফকিরা ঘোনায় দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা পর মহেশখালীর ফকিরা ঘোনা পারিবারিক কবরস্থানে ছালামত উল্লাহ খানকে তার পিতা-মাতার কবরের পাশে দাফন করা হবে। ছালামত উল্লাহ খান জীবদ্দশায় কক্সবাজার চেম্বর অব কমার্সের সভাপতি, মহেশখালী মাল্টিপারপাস সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও কল্যাণধর্মী প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুকালে ছালামত উল্লাহ খান স্ত্রী, ৩পুত্র ও ৪কন্যা সন্তান সহ অনেক আত্মীয়স্বজন রেখে যান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •