শাহেদ মিজান, সিবিএন:

নির্মম হত্যার শিকার মহেশখালীর গৃহবধূ আফরোজা আকতার হত্যা মামলা থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা হলো না ঘাতক বাপ্পীর পিতা হাসান বশির এবং তিনভাই হাসান আরিফ, হাসান রাসেল ও এহছানুল হকের। আদালতের নির্দেশে তাদের অন্তুভূক্ত করে মামলা রুজু করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল হাই সিবিএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, নিহত গৃহবধূ আফরোজা নিখোঁজ হওয়ার পর বাদি পক্ষ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে নিখোঁজ ডায়রি করেছিলেন। তার লাশ উদ্ধারের পর ডায়রির প্রক্রিয়া মোতাবেক ওই পাঁচজনকে আসামী করেই মামলা রুজু করা হয়েছিলো। কিন্তু বাদি পক্ষ এই নির্মম হত্যার সাথে ঘাতক বাপ্পী পিতা ও আরো তিনভাই থাকার দাবি করেন। তাদেরকেও আসামী করতে তারা আদালতে আবেদন করেন। আদালত এই চারজনকে অন্তর্ভূক্ত মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন। সে মোতাকে ঘাতক বাপ্পীর পিতা হাসান বশির এবং আরো তিনপুত্র হাসান আরিফ, হাসান রাসেল ও এহছানুল হককে অন্তর্ভূক্ত করে নতুন করে মামলা রুজু করা হয়েছে। এতে বর্তমান আসামীর সংখ্যা দাঁড়ালো নয়জন।

নিহত আফরোজার ভাই মিজানুর রহমান বলেন, আফরোজার লাশ উদ্ধার হওয়ার পর আমরা নিশ্চিত হই আফরোজা হত্যার সাথে ঘাতক বাপ্পীর পিতা হাসান বশিরসহ তার দুই স্ত্রীর সব পাঁচপুত্র এবং ঘাতক বাপ্পীর মা রোকেয়া হাসান, বাপ্পীর তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী কঙকা ও ভগ্নিপতি শহীদুল ইসলাম কাজল জড়িত রয়েছে। তাই সবাইকে মামলায় অন্তর্ভূক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করি। কিন্তু মামলা থেকে বাঁচতে নানাভাবে তদবির করে হাসান বশির, পুত্র হাসান রাসেল, হাসান আরিফ ও এহছানুল হক।

প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন আফরোজা। সাথে সাথে পালিয়ে যায় স্বামী রাকিব হাসান বাপ্পী। নিখোঁজের পাঁচদিন পর স্বামীর বাড়ির উঠোনের গর্ত থেকে আফরোজার বিভৎস্য লাশ উদ্ধার করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •