সংবাদদাতা :

টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শীলখালীতে উঠতি বয়সের বেশকিছু তরুন বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। গঠন করেছে কিশোরগ্যাং। সম্প্রতি তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে এই কিশোরগ্যাং স্থানীয় আলী আহাম্মদের বাসায় হামলা করেছে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে, ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সের এসব তরুনরা কিশোর গ্যাং এর সদস্য। গত বুধবার রাতে স্থানীয় আব্দুল মাবুদের ছেলে আজিজ উল্লার নেতৃত্বে ১২/১৫ জন যুবক একটি বসতবাড়ীতে গিয়ে চাঁদা দাবী করে। তাদের দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে বসতবাড়ীতে ভাংচুর চালিয়েছে। আজিজের নেতৃত্বধীন এ কিশোরগ্যাং এ রয়েছে -আজিজ (১৬) পিতা-আব্দুল মাবুদ, জামাল (১৬) পিতা-ইসলাম, রিদুয়ান প্রকাশ জাহেদানীর ছেলে(১৬), জসিম (১৭) পিতা-আমিরা, খালেক (১৭) পিতা-আহাম্মদ,শফিক (১৬) পিতা-আশু, ছৈয়দ আলম (১৭) পিতা-আশু, রফিক আলম (১৬ ) পিতা-আব্দু ছালাম, বেলাল (১৭ ) পিতা-আয়ুব আলী ও খালেক (১৩) পিতা-শামশুল আলমসহ আরো ৭/৮ জন।
সচেতনমহলের দাবী, এসব উঠতি বয়সের তরুনদের অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে তারা বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে। যার কারণে এলাকার আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে এবং শান্তি শৃংঙ্খলা বিনষ্ট হতে পারে। তাই দ্রুত এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং কারা এসব অপরাধীদের আশ্রয় পশ্রয় দিচ্ছে তাদের গেয়েন্দা নজর দারীতে আনা হোক ।

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ কিশোরগ্যাং এর বিভিন্ন অপকর্মের বিষয়টি অবগত রয়েছেন বলে সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দক্ষিণ শীলখালী এলাকার ইউপি সদস্য হাফেজের বরাত দিয়ে ভুক্তভোগী আলী আহাম্মদ প্রতিবেদককে জানান, কিশোরদের অভিভাবকদের বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন। তারা যদি আগামী কালকের মধ্যে এই বিষয়ে বসতে রাজী না হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান তিনি।

ফাঁড়ির আইসি নুর মোহাম্মদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান , দক্ষিণ শীলখালীর উঠতি বয়সের কিছু স্থানীয় বিপদগামী যুবক এলকার শৃঙ্খলা নষ্ট করছে বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের অবগত করা হয়েছে। তারা যদি সন্তোষজনক ব্যবস্থা নিতে না পারে তাহলে প্রসাশনের সহযোগীতা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •