প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
শ্রীম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর সভাপতি আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেছেন, বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রফতানি বাংলাদেশ এক সময় শীর্ষ পর্যায়ে থাকলেও সমুদ্র থেকে মাদার চিংড়ি সংগ্রহ ও হ্যাচারিতে পরিবহনের নানান জটিলতায় সংকটের মুখে পড়েছে খাতটি। এই সংকট কাটিয়ে উঠা জরুরী হয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্যবান ও গুনমান সম্পন্ন পোনা উৎপাদনের জন্য প্রতিটি ধাপে সঠিক মাননিয়ন্ত্রণ ও মাদার চিংড়ির নিবিড় পরিচর্যার। প্রয়োজন হলেও স্টেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবস্থাপনায় রুগ্ন পোনা উৎপাদনের কারণে বাংলাদেশ চিংড়ি উৎপাদন ও বিপণনে পিছিয়ে পড়ছে। এতে আর্ন্তজাতিক বাজার হারাতে পারে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় ব্যহত হতে পারে। সংকট উত্তরণে সমুদ্র থেকে মাদার চিংড়ি সংগ্রহে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য অধিদফতর, শ্রীম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) ও সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া আয়োজিত ‘ভালো মা চিংড়ি সংগ্রহের কৌশল, তদারকি, পরিবহন ও ব্যস্থাপনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশেক উল্লাহ রফিক এমপি এসব কথা বলেন।

শনিবার কলাতলীস্থ শ্রীম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর কার্যালয়ে আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ‘সেব’ এর মহাসচিব মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপ পরিচালক (অর্থ ও পরিকল্পনা) হাসান আহমেদ চৌধুরী, মৎস্য অধিদফতরের উপ পরিচালক (চিংড়ি) মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক সুজিত কুমার চ্যাটার্জী, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এর টিম লিডার মঈন উদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ মোদাব্বির আহমেদ খন্দাকার ও ‘সেব’ এর কেন্দ্রিয় সদস্য শহীদুল ইসলাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম বলেন, হ্যাচারিতে বাগদা চিংড়ি উৎপাদনের পূর্বে গভীর সমুদ্র থেকে মাদার চিংড়ি আহরণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সভায় অন্যান্য বক্তারা এই সংকট থেকে উত্তোরণের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •