জাহাঙ্গীর আলম শামস:
অপেক্ষার পালা শেষ আর কয়েক দিন বাকী। পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ষষ্ঠী পূজার আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। পূজা শুরুর শেষ মুহুূর্তে রং তুলি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কক্সবাজারের প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা।
শহরের মন্দির গুলো ঘুড়ে দেখাগেছে, পূজা উৎসবকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে মন্দিরগুলোতে চলছে ব্যাপক সাজসজ্জার প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে কক্সবাজারে বেশির ভাগ মণ্ডপে প্রতিমার কাঠামো মাটির কাজ শেষ। শুরু হয়েছে রং, তুলি ও সাজসজ্জার কাজ।
নীলাকাশ, সাদা মেঘের ভেলা আর কাশফুলে যেন জানান দেয় শরৎ বিরাজমান। জানান দেয় শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তার। যদিও এবার দেবী দূর্গা আসছেন হেমন্তে। আর করোনা মহামারির কারণে এবার কমছে অনুষ্ঠানের আড়ম্ব ও মণ্ডপের সংখ্যা।
জানাগেছে, কক্সবাজার স্থানীয় শিল্পী ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিল্পীরা এসে রং তুলির কাজ করছেন। প্রতিটি পূজা মণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, গনেশ, কার্তিক, অসুর, সিংহ, হাঁস, পেঁচা, সর্পসহ বিভিন্ন প্রতিমা।
চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে পূজা মন্ডপের সংখ্যা কিছুটা কমলেও আয়োজনের নেই কোন কমতি। তবে প্রতিমা তৈরির মজুরি কিছুটা কমেছে বলে জানান নওগাঁর ফাইভ ষ্টার ক্লাব শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুল গিয়াস জানান, শান্তিপূর্ণ শহরে কক্সবাজার নিরাপদ রাখতে পুলিশ সর্বদায় অতিরিক্ত কাজ হিসাবে মোবাই টিম কাজ করে যাচ্ছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সর্বত্রব্যাপী সজাগ দৃষ্টি থাকবে।