ওসমান আবির :

টেকনাফে মাদ্রাসা পড়ুয়া পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কোন ধর্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।ধর্ষক আদৌ গ্রেফতার হবে কি না ও ধর্ষিতা ন্যায়বিচার পাবে কি না এ নিয়ে উদ্বিগ্ন শিশুটির পরিবার।

ধর্ষনের শিকার শিশুটির পরিবার জানায়, গত ৮ আগষ্ট বিকাল ৩টার সময় বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেয়েটি ঘর থেকে বের হয়ে গাড়ির জন্য রাস্তায় অপেক্ষা করছিল।এমন সময় একই এলাকার বখাটে ইসমাইল (২৩) নামের এক যুবক তার গতিরোধ করে জোর পূর্বক টমটম গাড়ীতে তুলে মুখে কাপড় পেঁচিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়কের দিকে নিয়ে যায়।পরে উত্তর লম্বরীর নুরুল আবছার ও জাহাঁলিয়া পাড়ার আবদুল আমিনসহ তিনজন মিলে ওই ছাত্রীকে নিরাপদে বাড়ী পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাসে অন্যদিকে নিয়ে যায়।এরপর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে তাকে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে মারধর করে তিনজন মিলে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।ধর্ষণের এক পর্যায়ে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে।পরে জ্ঞান ফিরে আসলে অভিযুক্ত আবদুল আমিন উত্তর লেংগুর বিল এলাকার মোঃ হোছাইন ওরফে অলু নামের এক ব্যক্তির নিকট মেয়েটিকে রেখে পালিয়ে যায়।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও গণ্যমান্য বক্তিরা অলুর বাড়ি থেকে মূমুর্ষ অবস্থায় মেয়েটিকে স্থানীয় উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে যায়।এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক কক্সবাজার হাসপাতালে প্রেরণ করেন।চিকিৎসা শেষে পরের দিন বৃহস্পতিবার শিশুটির পিতা বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় ধর্ষকদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে শিশুটির বাবা বলেন, দুই মাস পার হয়ে গেল এখনও কোন ধর্ষক গ্রেফতার হয়নি। আমার ফুটফুটে মেয়ের জীবনে এমন বিষাদ এনে দিয়েছে যারা তাদের বিচার হবে কি না এ নিয়ে আমি বেশ শঙ্কিত।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন,”আমি সবেমাত্র টেকনাফ থানায় যোগদান করেছি।থানার সকল পুলিশ সদস্যও নতুন।তবে অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •