কক্সবাজারের স্থানীয় অনলাইন পত্রিকা কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএন), কক্সবাজার জার্নাল পোর্টালে (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত “বনভুমি থেকে বালি উত্তোলন ২০ টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাদের নাম ব্যবহার করে যা সংবাদ করা হয়েছে তা সম্পূণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

প্রকাশিত সংবাদে চকরিয়া এসিল্যান্ড মহোদয়ের মোবাইল কোর্ট অভিযানের সাথে কোন মিল বা সমন্বয় না রেখে অতিরঞ্জিত করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এছাড়া ওই এলাকায় আমরা থাকিও না। দীর্ঘদিন কক্সবাজার শহরে অবস্থান করছি। আমি নুর মোহাম্মদ পেটান বলতে চাই, আমি একজন আইনজীবি সহকারি। অথচ না জেনেই আমার নাম দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি এসবে কোন দিনও জড়িত ছিলাম না।

বাস্তবতা হচ্ছে, চকরিয়া উপজেলা ভুমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন মহোদয় কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধিন খুটাখালী- মেদাকচ্ছপিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় খুটাখালী বনবিটের মধুশিয়া থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের দায়ে ৮ টি ড্রেজার মেশিন, ফুলছড়ি থেকে ১ টি ও মেদাকচ্ছপিয়া থেকে ১ টিসহ ১০ টি ড্রেজার মেশিন জদ্ধ করে ধ্বংস করেন। এসময় তিনি সরকারী কাজে বাধা প্রদান করায় ২ জনকে আটকও করেন। পরে অভিযুক্ত দুজনকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। যাহা বনবিভাগ, প্রশাসন ও সাংবাদিক মহলের কাছে দিবালোকের মত সত্য।

এ ঘটনাকে পুঁজি করে স্থানীয় একটি কুচক্রি মহল যৌথ অভিযানের মোবাইল কোর্ট অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ২০ টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালায় এবং সংবাদে আমাদের নাম উল্লেখ করে বালি পাচারে জড়িত রয়েছে মর্মে মিথ্যাচার চালায়। যাহা বাস্তবতার সম্পুর্ণ বিপরীত।
সত্যিকার অর্থে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের মেদাকচ্ছপিয়ায় আমাদের কোন ধরনের অবৈধ বালি ব্যবসা নাই বা ছিল না।

এমন কুরুচিপুর্ন ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিক বন্ধুদের আরো যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রকাশিত সংবাদে বনবিভাগ, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের বিব্রত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী

আনোয়ার হোসেন মেম্বার, নুর মোহাম্মদ পেটান, সাইফুল ইসলাম, মিন্টু, লিটন ও শাহজালাল।
খুটাখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •