বিডি জার্নাল : ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) ফোনে গালিগালাজের যে অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে, সেটা তার ভয়েস নয় বলে দাবি করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন)। তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ আমার বক্তব্য সুপার এডিট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মুজিবর রহমান এসব দাবি করেন। গত শনিবার অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসন উপজেলার উপনির্বাচনে ‘ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষপাতমূলক আচরণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে’ এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নিক্সন চৌধুরী বলেন, এই ভয়েসটা আমারই না। প্রথমে আমি এসিল্যান্ডকে ফোন করেছিলাম। ‘আমি দেখছি’ বলে এসিল্যান্ড ফোনটা বন্ধ করে দেয়। পরে আমি আপাকে (টিএনও) ফোন করলাম যে, আপা আমার এ রকম একটা লোক ধরা পড়ছে আপনি একটু দেখেন, তার কোনো অন্যায় হয় নাই। সে মাঠে দাড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিল। তাকে বিজিবি ধরে নিয়ে গেছে আপনি একটু ব্যবস্থা নেন। এই কথাটুকুই আমি তাকে বলেছি। বাকি কোনো কথা আমার না। এটা ইউএনও সাহেবকে জিজ্ঞাসা করলেই পাবেন।

নিক্সন চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্রের মাঠে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাওয়ায় আমাদের এক কর্মীকে গাড়িতে তোলেন ম্যাজিস্ট্রেট। আমি ইউএনওকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানাই। এর বাইরে যে বক্তব্য ছড়ানো হয়েছে, সেগুলো এডিট করা। এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা এসব ছড়াচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।

চরভদ্রাসনের ইউএনওর সঙ্গে তার ‘মধুর সম্পর্ক’ দাবি করে মুজিবর রহমান বলেন, সংসদীয় আসনের তিন উপজেলার চরভদ্রাসন ও সদরপুরের ইউএনও নারী আর ভাঙ্গার ইউএনও একজন পুরুষ। তাদের সঙ্গে ভাই-বোনের মতো সম্পর্ক। তাদের সঙ্গে মিলেমিশে এলাকার উন্নয়নে কাজ করছি।

নিক্সন চৌধুরী বলেন, আপনারা জিজ্ঞেস করেন এই গালিগুলো আমি ইউএনওকে দিয়েছি কি না। তিনি বলুক এই গালিগুলো আমি তাকে দিয়েছি। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ করেন এই ভয়েসটা আমার। এই ক্লিপগুলো এক এক জায়গা থেকে কেটে নিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •