cbn  

ইমাম খাইর#
মোহাম্মদ সাদেক, টগবগে এক যুবক। বয়স বাইশের গণ্ডি পেরিয়েছে। অভাবী পিতার সন্তান, তাই পড়ালেখাও বেশী দূর করতে পারে নি। পিতার সহযোগি ছিল সাদেক। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার পথে জীবন কদম থমকে দিলো, ধরে বসলো মরণব্যাধি ক্যান্সার। পরিবারের সাহস ছিল সাদেক। কি নিয়তি! তার ঠিকানা এখন হাসপাতালের বেড।
হাসপাতালের বিছানায় আর নয়, জীবন-সময় যেন বিষিয়ে ওঠেছে সাদেকের।
দরিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত এই যুবক জানে না, কবে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে! তবু স্বপ্ন দেখছে রোগ থেকে সেরে ওঠার। সুন্দরভাবে পৃথিবী দেখার কথা ভাবছে।
অন্য আট-দশজনবন্ধুর মতো হেসেখেলে সময় কাটাতে চায় মোহাম্মদ সাদেক। স্বপ্ন দেখছে নতুনভাবে জীবন গড়ার। তার সেই স্বপ্ন আর আকুতি শুনার কেউ কি আছে?
অসুস্থ জীবন যন্ত্রণার শব্দগুলো হাসপাতালের চার দেয়ালের বাইরে পৌঁছাতে চায় সাদেক। এমন কোন মানবিক ব্যক্তি কি নেই, যে তার পাশে দাঁড়াবে? কেউ কি শুনবে ক্যান্সারে আক্রান্ত যুবকটির কান্না?
ঠিক এই মুহুর্তে- সম্ভাবনাময়ী একটি জীবন রক্ষায় দরকার পড়েছে সব শ্রেনী পেশার মানুষের সাহায্য। প্রয়োজন দোয়া।
মোহাম্মদ সাদেক কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ৬ নং ওয়ার্ডের হামজার ডেইলের আব্দুশ শুক্কুর প্রকাশ বিএনপি শুক্কুরের ছেলে। ৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হওয়ায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা খরচের অভাবে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে গড়াগড়ি করছে সাদেক। প্রয়োজনীয় ওষুধ খরচ যোগানও হচ্ছে না। এখন বেঁচে থাকার স্বপ্নই যেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে।
পরিবারের ৭ সদস্যের খরচ জোগাড় করা যেখানে দরিদ্র পিতা শুক্কুরের পক্ষে কষ্টকর হয়ে গেছে, সেখানে ক্যান্সারের চিকিৎসার এত টাকা কোথায় পাবে? বিকল্প উপায়ও দেখছে না হতদরিদ্র শুক্কুর। এলাকাবাসী, বন্ধুবান্ধব, সুধীমহলই তার একমাত্র ভরসা।
আব্দুশ শুক্কুর জানিয়েছেন, মাস দেড়েক আগে সাদেকের ক্যান্সার শনাক্ত হয়। প্রথমে কক্সবাজারের ফুয়াদ আল খতীব হাসপাতালে ছেলের চিকিৎসা করানো হয়। পরে ডাক্তারের পরামর্শে নেয়া হয় চট্টগ্রাম। সেখান থেকে ঢাকার ডেল্টা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা চলে। অর্থ সংকটে ওখানে বেশী দিন রাখা সম্ভব হয় নি। নিয়ে যাওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। ইতোমধ্যে শারীরিক অবস্থা আরো খারাপের দিকে। দিনদিন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে থাকে সাদেকের। কি আর করার? হাতে যা আছে তাতেই সাহস। নিয়ে গেলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে।
ওই হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আমিন লুৎফুল কবির এর অধীনে সাদেকের চিকিৎসা চলছে। ভালো চিকিৎসা পেলে সাদেক সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন। তবে, দরকার অন্তত ১০ লাখ টাকা।
সাদেকের ক্যান্সারের চিকিৎসার মূল শক্তি অর্থ।
সাধ্যবানদের সাহায্যই ক্যান্সার আক্রান্ত একটি জীবনকে বাঁচাতে পারে। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত একটি পরিবারে যোগাতে পারে সাহস।
যে যার অবস্থান থেকে সাধ্য মতো সাহায্যের অনুরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন।

প্রয়োজনে যোগাযোগ:
আব্দুশ শুক্কুর (রোগির পিতা)
০১৮৪৫০৯৫৮৫০, ০১৭৪৯৩৪২৮৪৫ (বিকাশ পার্সোনাল)

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •