আনোয়ার হোছাইন ,ঈদগাঁহ :

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁহতে চার দিনের মধ্যে পৃথক ঘটনায় ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।এ সব ঘটনায়  জনমনে মৃত্যু আতংক ও চারদিকে শোকের আবহ বইছে। ডাকাতি ও সড়ক দূর্ঘটনায় এ তাজা প্রাণ গুলো ঝরে গেছে মুহুর্তেই।এদের মধ্যে ১১ অক্টোবর (রবিবার)সকাল সাড়ে ৫ টার দিকে মহাসড়কের ঈদগাঁহস্থ ইসলামাবাদ ওয়াহেদর পাড়া অংশে নোয়াখালী থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটকবাহী নীলাচল নামের পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা দিলে গাড়ি দুমড়ে মুচড়ে যায়।এতে দূর্ঘটনা কবলিত গাড়ির দুই পর্যটক যাত্রী নিহত হয় এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়।
এর পূর্বের দিন ১০ অক্টোবর (শনিবার) বিকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়ার মোঃ কালু প্রকাশ হাঁসা কালু।
সে বিগত ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাত দলের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিল।একই ঘটনায় ডাকাতের উপুর্যুপরি চাইনিজ কুড়ালের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খুন হয়েছিল ঈদগড় ইউনিয়নের চর পাড়ার তপন দে’র ছেলে কক্সবাজারের আলোচিত শিশু শিল্পী জনি রাজ দে।এরপর দিন শুক্রবার( ৯ অক্টোবর) রাতে ছাড়পোকা যোগে ঈদগাঁহ থেকে ঈদগড় ফেরার পথে পূর্বের দিনের ডাকাত কবলিত স্থানে পৌঁছামাত্রই ডাকাত আতঙ্কে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক সংলগ্ন গাছে ধাক্কা দিলে গাড়ির সামনের সিটে বসা ঈদগড় ইউনিয়নের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে আহমদ হোসেন মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু বরণ করেন এবং চালক গুরুতর আহত হয়।অনেকে ডাকাতির ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বল দাবি করছে।এ ঘটনায় নিহত শিল্পীর পিতা তপন ১০ অক্টোবর কক্সবাজার মডেল থানায় মামলা করেছে।মামলার তদন্ত ভার দেয়া হয়েছে ঈদগাঁহ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শামীম আল মামুনকে।
তবে এ পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।তবে ১০ অক্টোবর রাতে পাহাড়ি এলাকা থেকে সন্দেহভাজন এক উপজাতি যুবককে আটক করেছে পুলিশ।এদিকে অল্প কদিনের মধ্যে তাজা পাঁচটি প্রাণ পৃথক ঘটনায় ঝরে পড়াতে সর্ব মহলে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া বিরাজ করছে।স্থানীয় জনগণ কথিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত খুনি চক্রকে দ্রুত সময়ে আটক করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •