নিজস্ব প্রতিবেদক:
চকরিয়ার লক্ষ্যারচর আমজাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গায় শহীদ মিনার করতে গিয়ে হামলায় দুইজন আহত হয়েছে।
তারা হলেন- ওই এলাকার নুরুল আবছার সওদাগর এবং তার ছেলে নুরুল আজিম। তাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরিজ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আকতার এবং উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু জাফর।
তারা শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কায়ছারসহ এলাকার মান্যগন্য ব্যক্তিবগ্য।
ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কায়ছার জানিয়েছে, আমজাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জায়গায় শহীদ মিনারের কাজ চলছিল। তাতে বাধা প্রদান করেন আইয়ুব, মো. ইকবাল এবং আবুল কালাম মেম্বারসহ আরো কয়েকজন ব্যক্তি। এ সময় উপস্থিত ইউএনও তাদের বাধার কারণ জানতে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করেন।
সিদ্ধান্ত হয় যে, বাধাদানকারী পক্ষের দাবিকৃত ডকুমেন্ট যথাযথ না হলেও বিরোধীয় ৯ শতক জায়গা বাদ দিয়ে অন্য জায়গায় শহীদ মিনার নির্মাণ উদ্বোধন হবে।
কিন্তু বাধাদানকারী পক্ষ প্রথমে সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও পরে বেকে যায়। শহীদ মিনার করার বিপক্ষে অবস্থান নেয়। এ নিয়ে আকষ্মিক হামলায় শহীদ মিনারের জন্য জমিরদাতার প্রতিনিধি নুরুল আবছার সওদাগর এবং তার ছেলে নুরুল আজিম আহত হন।
মারাত্মক আহত নুরুল আবছার সওদাগর চকরিয়া সরকারি হাসপাতাল এবং নুরুল আজিম কক্সবাজার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।
সরকারি সিদ্ধান্তে শহীদ মিনার নির্মাণে বাধাদানকারীদের উপযুক্ত শাস্তি চায় এলাকাবাসী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •