ইমাম খাইর#
কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প রক্ষায় সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পর্যটনশিল্প অন্যতম মাধ্যম। তাই পর্যটন খাতকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া দরকার। কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন এবং বিকাশে সরকারিভাবে সব ধরণের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগেও পর্যটনশিল্প বিকাশে সহযোগিতা করতে হবে বলে জানান সচিব।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) প্রতিনিধিদল সাক্ষাতে গেলে হেলালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।

তার আগে টুয়াক সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এরপর উভয়পক্ষ কুশল করেন।

সম্প্রতি সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাত্রি যাপন সীমিত করণের সিদ্ধান্তে পর্যটন ব্যবসায়ী ও পর্যটন উদ্যোক্তাদের জীবন জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়ার বিষয়টি সচিবকে অবহিত করেন টুয়াক সভাপতি। লিখিত একটি বক্তব্যও দেন তিনি।

হেলালুদ্দীন আহমদ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেন এবং পর্যটন শিল্প রক্ষার্থে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রয়োজনে তিনি সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- টুয়াকের সাধারণ সম্পাদক আসাফ উদ দৌলা আশেক, সিনিয়র সভাপতি আনোয়ার কামাল, সহসভাপতি হোসাইন ইসলাম বাহাদুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বিশ্বাস তুষার, এস এ কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আজম, পার্বত্য বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তোহা, দপ্তর সম্পাদক শহিদুল্লাহ নাঈম, সদস্য আক্তার নূর।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত ও রাত্রিযাপন নিষিদ্ধকরণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে টুয়াক। সেখানে ১২ দফা দাবীসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা রাখা হয়।

পর্যটন বিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হলে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আদালতের আশ্রয় নেয়া হবে বলে টুয়াক নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ২ দিনের সফরে শুক্রবার সকাল ১১ টায় কক্সবাজার পৌঁছেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •