মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

উখিয়ায় যারা হঠাৎ সম্পদশালী হয়েছে, অর্থ বিত্তের মালিক বনেছে, তাদরে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হবে। সংগৃহীত তথ্যে কোন গরমিল পাওয়া গেলে তাদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার) পিপিএম (বার) বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে উখিয়া থানা পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, জেলা পুলিশে মুটিভেশন ওর্য়াক চলছে। নতুন যোগদান করা পুলিশ সদস্যদের উজ্জীবিত করতে, তাদের নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি ডেপুটেট করে তুলতে এবং তাদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এ মুটিভেশন ওর্য়াক চলমান থাকবে।

মূলতঃ কক্সবাজার জেলা পুলিশে নতুন যোগদান করা ১৫০৭ জন সদস্যদের উদ্দেশ্য ৪টি বার্তা নিয়ে ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন কক্সবাজারে এ সফর করছেন। বার্তা ৪ টি হলো-(১) পুলিশের আভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা রক্ষা করা (২) পুলিশের কার্যক্রমে অনিয়ম রোধ করা (৩) মাদক পাচার রোধকল্পে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রাখা এবং (৪) পুলিশের সেবাকে আরো জনবান্ধব করা।

ব্রিফিংকালে ডিআইজি আনোয়ার হোসেনের সাথে পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান (পিপিএম), উখিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাকিল আহমেদ, উখিয়া থানার নতুন ওসি আহম্মেদ সঞ্জুর মোরশেদ, ওসি (তদন্ত) সালাহউদ্দিন, সাংবাদিকদের মধ্যে উখিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সরওয়ার আলম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক কামরুদ্দিন মুকুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন চকরিয়া, রামু কক্সবাজার সদর, উখিয়া থানা একে একে ভিজিট করেন ও নতুন যোগদান করা সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, উখিয়ার সীমান্ত এলাকাগুলোতে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য পাচার রোধে পুলিশের কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের তালিকা করে তাদের রেকর্ড চেক করা হবে। তাদের বর্তমান ও অতীত সব কিছু যাচাই করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কক্সবাজার জেলা পুলিশে সবাই নতুন যোগদান করায় সব গুছিয়ে উঠতে একটু সময় লাগবে বলে জানান ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন।

ডিআইজি সাংবাদিকদের আরো বলেন, থানার কিনারায় কোন দালালকে আসতে দেওয়া হবেনা। দালালেরা বিন্দু পরিমাণ ছাড় পাবে না। যদি কোন অনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে কেউ থানায় আসে বা কেউ তদবির করতে আসে, তবে তাদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন একইদিন রামু’তে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন এবং ১০০ ফুট দীর্ঘ গৌতম বুদ্ধের মূর্তি পরিদর্শন করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •