এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওর শহীদ মিনার ও পাবলিক লাইব্রেরীর প্রবেশ পথে লাকড়ীর স্তুপ। বহুদিন ধরে এ প্রবেশ পথের আশপাশ এলাকাটি ব্যবসায়ীরা লাকড়ীর আড়ত খানায় পরিণত হয়ে রেখেছে। যাতে শহীদ মিনারে আসা লোকজন বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। এতে বৃহত্তর এলাকার সর্বপেশার লোকজনদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত ঈদগাঁও বাজারের কেন্দ্রীয় কালি মন্দির এবং খাদ্য গুদামের পার্শ্ববর্তী স্থানে পাবলিক লাইব্রেরী ও শহীদ মিনার বহু লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত হয়। কিছ কাঠ ব্যবসায়ী এ প্রবেশ মুখে যত্রতত্রভাবে কাঠের স্তুপ করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। আবার ময়লা আবর্জনার দূগন্ধে বিষিয়ে উঠছে পরিবেশ। পুরো বাজার এলাকার ময়লাগুলো শহীদ মিনারের পাশ্বর্বতী স্থানে ফেলে দুগন্ধ করে রাখে। কাঠ আর ময়লার স্তুপ অন্যত্রে সরানোর দাবী সচেতন মহলের। তবে বাজার কমিটি উক্ত স্থানে ময়লা না ফেলতে অনুরোধও করেছেন।
উল্লেখ্য, বহুমূখী প্রতিভা বিকাশের জন্য নির্মিত হয় একটি পাবলিক লাইব্রেরী। অন্যদিকে নানা জাতীয় দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানোর লক্ষ্যে নির্মিত হল শহীদ মিনার। এ দুটি গুরুত্ববহ সম্পদের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রবেশ পথ থেকে কাঠ অন্যত্রে সরিয়ে নেয়া হউক। এদিকে বই মানুষের জ্ঞানের প্রতীক, বই মানুষকে জ্ঞানের জগতের আলোকে আলোকিত করে। কিন্তু এই বই যখন হয় দুপ্রাপ্য। তখন জ্ঞান চর্চার অভাবে মানুষ জ্ঞানের পরিবর্তে অন্ধকার পথে ধাবিত হয়। এই অন্ধকার পথে যাত্রীরা নানা অপরাধ কর্মকান্ডের পথে পা বাড়িয়ে সুন্দর সমাজকে কলুষিত করে তুলছে। এই আঁধার পথে যাত্রীদেরকে সুন্দর আলোর পথে এনে সভ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলে সৎ পথের যাত্রী করতে পারে ভালমানের পুস্তক। শুধু তাই নয়,শিক্ষিত মানুষের জ্ঞানকে আরও প্রসারিত করার জন্য চাই বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, আন্তর্জাতিক ও অর্থনীতি বিষয়ের উপর নানা পুস্তকাদি অত্র পাবলিক লাইব্রেরীতে মজুদ করার আহবান। সে সাথে জাতীয় সম্পদ শহীদ মিনার, অপরটি জ্ঞান অন্বেষন আলোকময় স্থান পাবলিক লাইব্রেরীতে যাওয়ার পথেই লাকড়ির স্তুপ যেন সৌন্দর্য্য কেড়ে নিচ্ছে। তাই কাঠ ব্যবসায়ীরা যদি তাদের কাঠগুলো অন্যত্রে সরিয়ে নেয়, তবে এই দুই সম্পদের সৌন্দর্য্য আরো বৃদ্বি পাবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •