সিবিএন ডেস্ক:
প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েই হাঁকডাক শুরু করা খোরশেদ আলম সুজনের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ময়লাতেই আটকে গেল চলন্ত ডেমু ট্রেন! রেল আইন অনুযায়ী, রেল লাইনের পাশে কোনও স্থাপনা থাকার নিয়ম না থাকলেও খোদ সিটি করপোরেশনই রেল লাইন ঘেঁষে রাখছে ময়লা। আর সেই ময়লা যখন রেল লাইনে উপচে পড়লো, তখনই ময়লাতে আটকে গেল যাত্রীবাহী চলন্ত ট্রেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার পর এরকমই ঘটেছে চট্টগ্রামের নাজিরহাট-ষোলশহর রেল লাইনের আমিন জুট মিল এলাকায়।

যাত্রী নিয়ে নাজিরহাটগামী ডেমু ট্রেনটি চসিকের ময়লায় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট থেকে ৭টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আটকে ছিল বলে জানা গেছে। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া খবর পেয়ে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা গিয়ে এ ময়লা পরিস্কার করলে ডেমু ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা স্নেহাশীষ দাশ গুপ্ত জানান, নাজিরহাটগামী ডেমু ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যায়। সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে আমিন জুট মিল এলাকায় পৌঁছলে সেখানে রেল লাইনের ওপর চসিকের ময়লা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেকারণে চালক ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে। এর আধাঘণ্টা পর ময়লা পরিস্কার করা হলে আবার নাজিরহাটের উদ্দ্যেশে ডেমুটি রওনা দেয়। ট্রেনটি নাজিরহাটে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে পৌঁছে।

রেলওয়ের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘রেল লাইনের পাশে এরকম ময়লা ফেলা কোনও ভাবেই উচিত না। আমরা বিষয়টা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। হয়তো লিখিতভাবে চসিকের কাছে জবাবও চাইতে পারি।’

জানতে চাইলে চসিকের উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘রেল লাইনের পাশে আমিন জুট মিল ডিপো রয়েছে আমাদের। সেখান থেকে অসাবধানবশত সামান্য ময়লা রেল লাইনের ওদিকে চলে গেছিল। হয়তো অতিরিক্ত সাবধনতার কারণে চালক ট্রেন থামিয়ে দিয়েছে৷ আমরা খবর পেয়ে তা ২০ মিনিটের মধ্যেই পরিস্কার করেছি। এরপর ট্রেনটি নাজিরহাটের উদ্দেশ্যে চলে যায়।’

এ বিষয়ে জানতে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের মতামত জানতে মোবাইলে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। -সিভয়েস।