আল্ জাবের, বদরখালী:
কথায় বলে, বিপদের বন্ধু প্রকৃত বন্ধু।দলের অাপদকালীন সময়ে যারা হাল ছাড়েন নি তারা একদিন দলের প্রধানের কাছে মূলায়িত হয় ।যেমন মূলায়িত হয়েছেন কক্সবাজার ১অাসনের সাংসদ জাফর অালম। চারদলীয় জোট সরকারের অামলে নির্যাতনের কাহিনী লিখতে গেলে অনেক ইতিহাস। তখনতো তিনি দলের কোন বড় দায়িত্বে ছিলেন না।শুধু তৃর্ণ মুল এবং মাঠ পর্যায়ের নেতা ছিলেন বিদায় এ নেতাকে পথের কাটা মনে করেছিলেন চারদলীয়জোট সরকারের নেতারা। ঐ সময়ে জাফর অালম দলের কর্মীদের চাঙ্গা করতেন পার্শ্ববর্তী মহেশখালীর মাতারবাড়ীর বিভিন্ন চিংড়ী ঘের, হাজী ইদ্রিচ ও মৌলভী জাফরের বাড়ী (বর্তমানে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগের সাধারণ সন্পাদক এস এম অাবু হায়দারের বাড়ী) সহ বিভিন্ন জনের বাড়ীতে।ঐ সময়ে বেশী ভাগ রাত যাপন করেছেন মাতারবাড়ীতে। কারণ মাতারবাড়ী বাসীর প্রতি এ নেতার অাস্হা ও বিশ্বাস ছিল বেশী।

মাতারবাড়ীর ক্লিন ইমেজের নেতা সৎও অাদর্শবান রাজনীতিবীদ এস এম অাবু হায়দার সহ অনেকে জানান, চকরিয়ার এ নেতার পিছনে শুধু দেখা গেছে বদরখালীর এ কে ভুট্টো সিকদারকে।এমন কি বিশ্বস্ত একজন কর্মী বিদায় ভুট্টো সিকদার ছিল একমাত্র সংঙ্গী। অাজ চকরিয়ার এ নির্যাতিত নেতা জাফর অালমকে দলের প্রধান ও দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূলায়িত করায় পৌর মেয়র থেকে শুরু করে উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য পর্যন্ত পৌছতে সক্ষম হয়েছে।এ নেতার বিপদের সময়ে বিশ্বস্ত সফরসংঙ্গী হিসেবে কাছে পাওয়া এ কে ভুট্টো সিকদার বর্তমানে বদরখালী ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।পাশাপাশি তার ঠিকাদারী কাজের ফাঁকে ফাঁকে এলাকার তৃর্ণমূল কর্মীদের নিয়ে কর্মহারা লোকদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।  চকরিয়া উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ে বদর খালী ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগের কার্যক্রম অনেকটা পরিবর্তন ঘটেছে বলে এখন লোকের মুখে মুখে।এবার অতীতের কথা এবং বর্তমানে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে অাগামী ইউপি নির্বাচনে কর্মী বান্ধব প্রার্থী দিলে ভাল সুফল বয়ে অাসবে বলে অনেকে জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •