নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রতিষ্ঠান হোপ ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত হোপ ফিল্ড হসপিটাল পরিদর্শন করেছেন এনজিও ব্যুরো মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১ টায় তিনি পরিদর্শনে যান। এসময় তাঁকে উঞ্চ অভ্যর্থনা জানান হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কেএম জাহিদুজ্জামান।

পরিদর্শনকালের এনজিও ব্যুরো মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন (আরআরসি) কমিশনার মাহবুব আলম তালুকদার, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ২ ও ৩ এর সিআইসি মাহফুজুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কো-অর্ডিনেটর ডা. তোহা এম.আর.এইচ. ভুঁইয়া।

এনজিও ব্যুরো মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম পরিদর্শনকালে এক ঘণ্টার বেশি হোপ ফিল্ড হসপিটালে অবস্থান করেন। এসময় হাসপাতালের করোনা ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তাঁকে এসব বিভাগ ঘুরে দেখান হাসপাতালের সিনিয়র ম্যানেজার মোঃ শওকত আলী ও চীফ মেডিকেল অফিসার মোঃ ইসমাঈল ইদ্রিস।

পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের কার্যক্রম নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই হাসপাতালের পরিপাটি অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা, সব ধরণের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর সংযোজন, নিরবচ্ছিন্ন সেবাকার্যক্রম, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মনিষ্ঠা আমাকে অবিভূত করেছে। ক্যাম্পের দুর্গম স্থানে এমন সুন্দর, সাজানো-গোছানো এবং আধুনিক সেবা সম্বলিত হাসপাতাল স্থাপন সত্যিই প্রশংসা দাবিদার।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের কৃতিসন্তান আমেরিকা প্রবাসী চিকিৎসক ইফতিখার মাহমুদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত হোপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রামুর চেইন্দায় একটি বড়মাপের হসপিটাল এবং জেলা কয়েকটি স্থানে বার্থসেন্টার ও মেডিকেল সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। ২০১৭ সালে নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর উখিয়ার স্থাপন করে বড় ধরণের একটি ফিল্ড হসপিটাল। সেখানে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। করোনার প্রকোপ শুরু হলে রামুর এরই হাসপাতালটিকে ১০০ বেডে উন্নীত করা হয় এবং ৫০ বেডের একটি আইসোলেশন সেন্টার করা হয়। একইভাবে রামুর চেইন্দায়ও ৫০ বেডের একটি করোনা আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়। সেখানেও করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •