রিয়াজ উদ্দিন, পেকুয়া:

পেকুয়ায় প্রতিষ্টিত হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রস্তাবিত স্কুল ও এর স্থান পরিদর্শনের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের সরকারী প্রতিনিধি টীম টইটংয়ের সোনাইছড়ি রমিজপাড়া পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধি টীমের সদস্যরা স্কুল প্রতিষ্টিত হওয়ার স্থান যাচাই বাছাইকরনসহ সমীক্ষা চুড়ান্ত করেছে। ১৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকাল ১১ টার দিকে প্রতিনিধি টীম রমিজপাড়ায় পৌছান।

প্রতিনিধি টীমের নেতৃত্ব দেন পেকুয়ার সহকারী কমিশন ভূমি মিকি মারমা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) উম্মে কুলসুম মিনু, উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম, শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালামত উল্লাহ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর পেকুয়ার প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি পেকুয়ার সভাপতি হানিফ চৌধুরী, সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সোনাইছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিন, নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা মো: হামিদ প্রমুখ। এ সময় প্রস্তাবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এর জন্য সমীক্ষা চুড়ান্তকরন করা হয়েছে। সুত্র জানায়, শিক্ষা বিস্তারের জন্য বর্তমান সরকার সারা দেশে ১হাজারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় এ সব প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই প্রকল্পের আওতায় পেকুয়া উপজেলায়ও বিদ্যালয়বিহীন এলাকাসমুহে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের সমীক্ষা চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত হয়েছে। ওই দিন সকালে পেকুয়ায় ১ হাজার বিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প কমিটির আওতায় প্রতিনিধি টীম টইটং ইউনিয়নের রমিজপাড়ায় পরিদর্শনে যান।

এ সময় প্রতিনিধি টীমকে স্বাগত জানাতে বিপুল পরিমাণ লোকজন জড়ো হন। তারা প্রস্তাবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদের নামে স্কুলের স্থান পরিদর্শন করেছেন। জমির দলিল দস্তাবেজ ও নির্বাচিত স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও টইটং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রমিজ উদ্দিন আহমদ জানান, ১ হাজার বিদ্যালয় প্রকল্পভূক্তের জন্য যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট আবেদন করি। তারা আমার আবেদন গ্রহণ করেছেন। বিদ্যালয়ের জন্য জায়গা নির্বাচন করা হয়েছে। সেটি তারা দেখতে এসেছেন। আমার এলাকাটি পাহাড়ী অঞ্চল। এখানে শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। আশপাশের তিন/চার কিলোমিটারের মধ্যে কোন বিদ্যালয় নেই। ছেলে মেয়েরা পিছিয়ে পড়ছে। আমি ৪০ শতক জায়গা স্কুলের জন্য রেজিষ্ট্রি দেওয়ার অঙ্গীকার চুড়ান্ত করেছি। এখানে আমার নামে একটি কমপ্লেক্সও করার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনে আরো জায়গা লাগলে দেবো।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •