মাহবুব নেওয়াজ মুন্না


কথায় আছে, নেংটার আবার শরম কী ! নেংটারা কখনো সভ্য হয় না। কারণ তাদের মনে কখনো কোনোপ্রকার সহি নিয়তের ইচ্ছাই নেই। বিগত ২০ বছর ধরে টেকনাফের এই এলিট শ্রেণির ইয়াবাওলারা নিজেদের সন্তানগুলোকে ইয়াবার বিপুল অবৈধ অর্জনে বিদেশে পড়াশোনা করায়, এদিকে বাংলাদেশের অর্থনীতি থেকে বছরে ৫০ হাজার কোটি মায়ানমারের পাঠিয়ে দিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের মাদকাসক্ত বানিয়ে বানিয়ে। অপরদিকে, ইয়াবাওয়ালাদের প্রতিনিয়ত সামাজিক বর্বর নির্যাতনে দিনদিন ধ্বংস হচ্ছে কক্সবাজারের বাঙালি মুসলমান সমাজ।

সম্প্রতি  টেকনাফ টুডে অনলাইন পত্রিকায় সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০ শুক্রবার ৭:৩২ অপরাহ্ণে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে যা দেখলাম- [টেকনাফে ইয়াবা কারবারীদের হামলায় নুর আলম (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গত শনিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মধ্যরাতে নুর আলমের বসত বাড়িতে হামলা চালায় ৮/১০ জন লোক। ঐ সময় নুর আলমের চিৎকার শুনে তাকে প্রাণে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন আশপাশের লোকজন। ওই সময় প্রতিপক্ষের দায়ের কোপ ও রডের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হন নুর আলম। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আহত নুর আলম জানান, “আমাকে হত্যার উদ্দেশে প্রতিপক্ষের লোকজন নিজ বসত বাড়িতে হামলা চালায়। সময় মতো আত্নীয় স্বজন এগিয়ে আসায় প্রাণে বেঁচে যাই।”

এক সময়ের রিক্সা চালক, দিন মজুর, মাছ শিকার ও পাহাড়ের লাকড়ী কুড়িয়ে এনে যারা সংসারের চালাত। তারাই আজ এই মরণনেশা ইয়াবার বদৌলতে বর্তমানে বিপুল ধনসম্পদের মালিক। তাদের মাছ ধরার ফিশিং ট্রলার ও জমিজমা রয়েছে। তারা এখন নব্য কোটিপতি। তারা কিছুদিন আত্নগোপনে থাকলেও এখন এলাকায় এসে ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেছে।(১)]

ইয়াবাওয়ালারা টেকনাফ সীমান্তে মায়ানমার থেকে ইয়াবা নিয়ে এসে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আর কতদিন ধ্বংস করবে জানি না। ইয়াবাওয়ালারা কখনো সভ্য হবে না বলে মনে হয়না।

তবে আল্লাহর কাছে অহর্নিশ এটাই চাই, ইয়াবাওয়ালাদের আল্লাহ যেন প্রকৃত হেদায়াত দান করেন। কারণ, আল্লাহ্ই চাইলেই মাত্রাতিরিক্ত মহাপাপ ও বর্বরোচিত মহা জুলুমকারীদের শিক্ষাদানের জন্য পুরো এলাকাটিই ধ্বংস করে দিতে পারেন এবং যুগে যুগে তার বহু নিদর্শন রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •