cbn  

আব্দুর রশিদ 

বর্তমা‌নে সারা দেশে বঙ্গবন্ধুর কন্যা, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যখন উন্নয়নের এক মহাযজ্ঞ চলছে। সেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত মগনামা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এবাদুল্লাহ্ পাড়া গ্রামটি র‌য়ে‌ছে অবহেলিত। অতিত থেকে বর্তমান সরকারের আমলে চারদিক‌ে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসলেও এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি এই অবহেলিত গ্রামটি। কারো নজর কাড়তে পারেনি। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের যাতায়াত ও বাজারমুখী স্থান হচ্ছে কাজির মার্কেট। বর্ষা এলে মনে হয় যেন চাষকৃত জমি।

মগনামা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড। তার মধ্যে ৮টি ওয়ার্ডে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাপকভাবে চলমান রয়েছে। সেক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার মগনামা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের এবাদুল্লাহ্ পাড়া গ্রামটি। গ্রামীণ জনপদের এ অবহেলিত গ্রামটি দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন চোখে পড়েনি।
বর্ষার সময় গ্রামের কোন মানুষ হঠাৎ অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।যোগাযোগব্যবস্থা খারাপ হওয়ার জন্য অনেক সময় রোগীদের অনেক বিপদে পড়তে হয়।এই গ্রামের প্রধান রাস্তাটি এখনো নজরে আসেনি জনপ্রতিনিধিদের।
জনপ্রতিনিধিরা রাস্তাটি ইট করার আশা দিলেও কেউ রাস্তাটি করে দেইনি এখনও পর্যন্ত।

স্থানীয়রা জানান, গ্রামের সকল মানুষই লবণচাষী ও মৎসজী‌বি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ গ্রামের মানু‌ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতে প্যাক-কাঁদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে মাদ্রাসা ও স্কু‌লের শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়তই কষ্ট করে এ সড়ক দিয়ে পায়ে হেটে চলাচল করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে প্রত্যেকটি গ্রামকে শহর করার ঘোষণা দিয়েছেন, যেন শহর এবং গ্রামের মধ্যে কোন বিভেদ না থাকে। অথচ গ্রামীণ জনপদের এ গ্রামটি এখ‌নো সরকা‌রের উন্নয়ন থেকে দূরে ব‌ঞ্চিত ও অবহেলিত হয়ে পড়ে আছে।

গ্রামবাসীর দুঃখ যে কবে শেষ হবে ? আমরা এবাদুল্লাহ্ পাড়া সব চেয়ে অবহেলিত গ্রামের মানুষ। ভোটের সময় আসলে প্রতিশ্রতি দিয়ে ভোট নেয়। ভোট দেওয়া হয়ে গেলে নেতারা আর আসে না।

গ্রামবাসীরা আরো জানান ,দলীয় কোন্দল বিভেদ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এ গ্রামে কোন কাজ হয় না এবং উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়। স্থানীয় গ্রামবাসী এ গ্রামের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার জন্য ,ইট বসানোর মাথা থেকে এবাদুল্লাহ্ পাড়া পর্যন্ত ইট বসানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •