এম হাবিবুর রহমান রনি , নাইক্ষ্যংছড়ি :

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ৫০ বছরের পুরোনো জমি জোর করে দখলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দখলে থাকা মাহবুবুল করিম পিতা-মৃত আবুল খায়ের জমির অধিকার ছেড়ে দিতে নানান ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।

মাহবুবুল করিম বলেন, জালিয়াত চক্রের প্রতারক শহীদুল্লাহ করিমুল্লাহ পিতা মৃত জহিরুল মোস্তফা এরা কিছুদিন ধরে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, যেকোনো সময় আমার এই জমি দখলে নেবে।

তিনি আরো বলেন, জমির দখল নিতে ১৯৮০ সালের পর থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভূমি জালিয়াত চক্র। সর্বশেষ ২০১২ সালেও জমিটি দখলের চেষ্টা করা হয়। ওই সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের প্রতিবাদের মুখে চক্রটি পিছু হটে। এখন নতুন করে আবারও চক্রটি সক্রিয় হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল হক মনু, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হাকিম, সাবেক চেয়ারম্যান জালাল আহমদ, ইউপি সদস্য নুরুল আজিম, আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা নুরুচ্ছফা, রশিদ আহমদ,মাস্টার নুরুল আজিম, বাবুল, জহির উদ্দিন, উক্ত গ্রামের ময়মুরুব্বি সহ সাধারণ জনগণ জোরালো কন্ঠে বলেন। ৫০/৫৫ বছর এর আগের কথা এই পর্যন্ত আমরা দেখে এসেছি মাহাবুবুল করিম এই জায়েগা ভোগ দখলে আছে এখন আবার দেখছি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ৫০ বছরের পুরোনো জমি জোর করে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
নাজমা খাতুন রাবার বাগানের ম্যানেজার তিনি বলেন আমিও এই প্রতারক চক্রের ভুক্তভোগী একজন আমাকেও বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে জর্জরিত করে রেখেছে।
আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুর বলেন ‘আমরা জানি এই জমির প্রকৃত মালিক হলেন মাহাবুবুল করিম। প্রতারক চক্র শহীদুল্লাহ, করিমুল্লাহ এরা ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে জমিটি দখলের অপচেষ্টা করছে। ২০১২ সাল থেকে জমিটি দখলে নেওয়ার এদের অপতৎপরতা শুরু হয়।

৩১ই আগস্ট বিকাল ৫ঘটিকার সময় সালিশি বৈঠকে বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ লিয়াকত আলী সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সবাই উপস্থিত হয়ে এই সিদ্ধান্তে গৃহীত হয় উক্ত জায়গার মালিক মাহবুবুল করিম এবং তার কাগজপত্র বৈধতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •