বার্তা পরিবেশক
কক্সবাজার শহরের কলাতলী হিমছড়ি রোডস্থ দরিয়ানগর এলাকায় এক পরিবারের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা। এতে ২ স্কুল ছাত্রীসহ একই পরিবারের ৪ জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। স্কুল ছাত্রীদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান তার পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা করেছেন। দরিয়ানগর এলাকার বাসিন্দা ঠিকাদার নুরুল আমিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে অজানা কারনে পারিবারিক শত্রুতার জেরে পার্শবর্তি কয়েকজন মাদকাসক্তরা আমার বাড়ির দেয়াল নির্মানে বাধাঁ দিয়েছিল। আমার কাছে চাঁদাদাবীসহ নানান ভাবে আমার পরিবারকে হয়রানী করে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে তিনবার বিচার-শালীস বসে। স্থানীয় মান্য-গণ্য লোকজন মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আমার পক্ষে দাড়ায়। আমাকে হয়রানী ও হুমকি না দেয়ার নিমিত্তে তাদের শেষ বারের মতো নিষেধ করেন। স্থানীয়দের কথাও এই হামলাকারীরা গায়ে মাখেনি। অন্যদিকে আমাকে থানার আশ্রয় নিলেও পরিবারের উপর বিপদ হবে মর্মে চিৎকার করে হুমকি দিচ্ছে তারা। একের পর এক মাদকাসক্তরা আমার পরিবারের উপর হুমকি ধুমকিসহ হামলা অব্যাহত রেখেছে। তার প্রেক্ষিতে ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬ টার দিকে আমি তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে হামলাকারীরা আমার পরিবারের সদস্যদের উপর ব্যাপক মারধর চালায়। এক প্রতিবেশী আমাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মারধরের খবর দেয়। আমিও দ্রুত বাড়িতে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে কলাতলী দাখিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী রোকসানা আক্তার রিমা এবং কলাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী শাহিনা আকতার রিজা কে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। এছাড়াও আমার স্ত্রী বুলবুল আক্তারকে হাতে কামড় ও ৫ বছরের শিশু ছেলে মুবিনকেও মারধর করে। তার স্ত্রী বুলবুলের অভিযোগ, হামলাকারীরা কোন কথা ছাড়াই অতর্কিত ভাবে হঠাৎ ঘরে ঢুকে বাড়িতে তান্ডব চালায়। মাদকাসক্ত আবদুল্লাহ, মোবারক হোসেন, হাফেজ আবুল কালাম সহ ৫/৭ জন মিলে এ মারধর ও ঘর ভাঙ্গচুর করে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ তোলেন। এ সময় উক্ত সন্ত্রাসীরা থানায় মামলার চেষ্টা করলে আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়ে গেছে বলে জানান দুই স্কুল ছাত্রীর পিতা আমিন। আহতরা বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার মেয়েদের শ্লীলতা হানী ও মারধর ও বাড়ি ভাঙ্গচুরের ঘটনায় সুষ্ট বিচার এবং সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত শাস্তিদাবী করেছেন স্থানীয়রা। হামলাকারীর বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানান ঠিকাদার মোঃ নুরুল আমিন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •