বার্তা পরিবেশক:
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) এর জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির দখল কার্যক্রম বন্ধ রাখতে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন জানিয়েছেন এক ভূক্তভোগী। গতকাল সোমবার ৩১ অগাস্ট পিবিআই ও প্রশাসনের লোকজন জমি পরিমাপ করে দখল কার্যক্রম শুরু করলে ভূক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন এর প্রতিবাদ জানান। ওই দিনই তিনি তা লিখিত আকারে জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।
জেলা প্রশাসক বরাবরে দায়েরকৃত আবেদন সূত্রে জানা যায়, গত ০৩/০৮/২০০৪ তারিখ ২৩৭৩ নং সাফ কবলা দলিল মূলে মোঃ সেলিম রেজা গং ঝিলংজা মৌজার আরএস খতিয়ান নং ১৯৫০ এবং আরএস দাগ নং ৮০০৪/৮৯২১, বিএস খতিয়ান নং ১০৫, ৫৭২ বিএস দাগ নং ২০৩০৭, ২০৩০৬ দাগাদীর আন্দর ০.০৭ একর জমি দখল সরেজমিন বুঝে নিয়ে দখলে ছিল। গত ০৫/০২/২০২০ তারিখ ৫২২ নং অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্নি মূলে এইচ এম নুরুল আলম দখল বুঝে নিয়ে পূর্ববর্তী দখল আমল বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে আছেন। গত ০১/০১/২০১৮ তারিখ পিবিআই এর অফিস নিমার্ণের জন্য অধিগ্রহণের আদেশ হলে কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে যথানিয়মে ভূমির মালিকদের টাকা গ্রহনের জন্য নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু একটি ভূমিদস্যু ও জাল-জালিয়াতকারী অসাধু চক্র অধিগ্রহণ শাখার কিছু কর্মকর্তার যোগসাজসে নোটিশ গোপন করে কয়েক দফা টাকা উত্তোলন করে নেয়। ফলে এইচএম নুরুল আলম জমির অধিগ্রহণের টাকা গ্রহন করতে পারেনি। যার কারনে গত ২৭/০৭/২০২০ তারিখ যুগ্ন জেলা জজ ১ম আদালতে অপর-১৫৪/২০২০ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু উক্ত মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গতকাল সোমবার ৩১ অগাস্ট পিবিআই ও প্রশাসনের লোকজন জমি পরিমাপ করে দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ অবস্থায় প্রশাসনের সহায়তায় ভূমিদস্যু চক্রটি জমিটি পিবিআইকে দখল দেয়ার চেষ্টা করছেন। আদালতের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার আগেই জমিটি দখলে দিলে জমির প্রকৃত মালিক ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবেন। জমির মালিক এইচএম নুরুল আলম এর কেয়ারটেকার গিয়াস উদ্দিন জানান, তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জমিটিতে স্থিত স্থাপনাসহ কেয়ারটেকার হিসেবে শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে আছেন। কিন্তু দখল আমল গোপন করে একটি চক্র জমিটি অধিগ্রহণে দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। এ অবস্থায় জমির প্রকৃত মালিক ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় জেলা প্রশাসক ও আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে এটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমি দখল বুঝিয়ে দেয়ার কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবী জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •