জেলা শ্রমিক লীগের বঙ্গবন্ধুর ৪৫ শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নজুড়ে ছিলো শ্রমজীবি-মেহনতি মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করা

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট, ২০২০ ০৯:১১

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেক মুজিবুর রহমানের ৫৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের স্বরণে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নানা কর্মসূচী পালন করেছে কক্সবাজার জেলা শ্রমিকলীগ। গতকাল রোববার (৩১ আগস্ট) দিনব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসচীর মধ্যে ছিলো খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, দুপুরের শ্রমজীবি মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এবং বিকালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারীর সঞ্চালনায় জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নজুড়ে ছিলো শ্রমজীবি-মেহনতি মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করা। তাই তিনি তাঁর জীবনের পুরোটা সময় এই দেশে শোষিত মানুষের অধিকার আদায় ও ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছিলেন। এর ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়; বিশ্বের সব নিপীড়িত মানুষের আলোবর্তিকা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাতির জনক স্বপরিবারে হত্যা করে দেশের নিপীড়িত মানুষের অগ্রযাত্রা রুদ্ধ করে করে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তার যোগ্য উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাবার দেখানো পথে এদেশের মানুষকে সুন্দর জীবন দেয়ার কাজ করে যাচ্ছিলে ঠিক সে সময় পঁচাত্তরের ষড়যন্ত্রকারী চক্র ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে শূন্য করার চেষ্টা চালিয়েছিলো। ১৫ আগস্ট এবং ২১ আগস্ট একই সূত্রে গাঁথা। শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে থাকবেন তাঁর বাবার দেখানো পথে মেহনতি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের কাজ করে যাবেন।

তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার পিছনের জড়িত ছিলেন মেজর জিয়া। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃতি খুনিরা বিভিন্ন রেডিও এবং ভিডিও বার্তায় এই কথা স্বীকার করেছে। ইতিহাস বড়ই নির্মম। সে ধারায় বঙ্গবন্ধু বাঙালীর মহানায়ক এবং মেজর জিয়া খলনায়ক হিসেবে ইতিহাসে লেখা রবে।

বক্তব্য রাখেন, জেলা শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম কালু ও সিবিএ নেতা আবদুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল কবীর সাকি, প্রচার সম্পাদক নেজাম উদ্দীন শাওন, দপ্তর সম্পাদক এম. ওসমান গণি, পেকুয়া উপজেলা সভাপতি নূরুল আবছার, চকরিয়া উপজেলা সভাপতি জামাল উদ্দীন, সদর উপজেলা আহŸায়ক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মহেশখালীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদু শুক্কুর, ঈদগাঁও থানা সভাপতি আমজাদ হোসেন ছোটন রাজা, রামু উপজেলা সভাপতি শফিকুল আলম কাজল।

উপস্থিত ছিলেন, জেলা সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দীন ও আবদুল ওয়াজেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাসেদুল হক সোহেল, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ ইউনুছ, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম, আবু তাহের রানা, জাহাঙ্গীর আলম, মোজাম্মেল হক বকুল, গিয়াস উদ্দীন, আরিফুল ইসলাম, মহেশখালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার আলম, সদর উপজেলা যুগ্ম-আহŸায়ক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক একরামুল হক চৌধুরী, রামু উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমিন, মহেশখালীর সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক সভাপতি রিপন উদ্দীন রিপন, আবু মুছা কলিম উল্লাহ, খুরুশকুল সভাপতি নাছির উদ্দীন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, হোটেল শ্রমিক লীগের সভাপতি সৈয়দ বাবুর্চি, শামসুল আলম, সেলিম বিল্ডার, জীপ-কার-মাইক্রো শ্রমিকলীগের সভাপতি জামাল উদ্দীন, কৃষিখামার শ্রমিকলীগ নেতা বাবুল, মোঃ রফিক, নজিবুল আলম বাবু, মোঃ মোর্শেদ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •