মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলার সন্দেহজনক সিভিল ৩আসামীকে আবারো ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এবং র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (আদালত নম্বর-৩) শুনানির পর বিজ্ঞ বিচারক তামান্না ফারাহ্ এ আদেশ দেন।

যাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড আদেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলো-টেকনাফের বাহারছরার মারশবনিয়া এলাকার নাজিম উদ্দিন নাজু’র পুত্র নুরুল আমিন, নজির আহমদের পুত্র নিজাম উদ্দিন ও জালাল আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আয়াছ। এ তিন জন মামলার এজাহারভুক্ত আসামী নন।

এদের প্রত্যককে আগে ৭ দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার গত ২০ আগস্ট টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আদালত নম্বর-৩) এ আনা হলে বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্ তাদেরকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছিলেন। গত ১৪ আগস্ট থেকে তারা আইও এর হেফাজতে রিমান্ডে ছিলো।

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যায় তাঁর বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে দায়েরকৃত টেকনাফ থানার ৯/২০২০ নম্বর, যাহার জিআর : ৭০৩/২০২০ (টেকনাফ) মামলায় আসামী হিসাবে তাদের রিমান্ড করা হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের বড়বোন ও মোঃ শামসুজ্জামানের সহধর্মিণী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস (৪২) বাদী হয়ে চাকুরী থেকে বরখাস্ত হওয়া প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া সহ ৯জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ আগস্ট সকালে এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। যার টেকনাফ থানার মামলা নম্বর : ৯/২০২০, জিআর মামলা নম্বর : ৭০৩/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •