মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যার সময় গত ৩১ আগস্ট রাত্রে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (APBn- এপিবিএন) এর ৩ সদস্যের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাদেরকে রিমান্ডের জন্য র‍্যাব-১৫ এর কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। বেলা পৌনে একটার দিকে তাদেরকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে শনিবার ২২ আগস্ট সকাল পৌনে ১২ টার দিকে আইও এর হেফাজতে নেওয়া হয় তাদেরকে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও জিআর : ৭০৩/২০২০ নম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম এই ৩ জন আসামীকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে তাঁর হেফাজতে নেন। বিষয়টি কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

যাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তারা হলো-এপিবিএন এর সাব ইন্সপেক্টর শাহজাহান, কনস্টেবল মোঃ রাজিব ও কনস্টেবল মোঃ আবদুল্লাহ। এ ৩ জন আসামীকে জেলা কারাগার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সরাসরি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিলো। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর তাদেরকে ৭দিনের রিমান্ড কার্যকর করার জন্য র‍্যাব-১৫ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এনিয়ে সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ধৃত ১৩ জন আসামীর সকলকে ৭ করে রিমান্ডে নেওয়া হলো।

গত ১৮ আগস্ট তাদের সন্দেহজনক আসামী হিসাবে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন তাদের ১০দিনের রিমান্ড চেয়ে সিনহা হত্যায় তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এর দায়ের করা জিআর ৭০৩/২০২০ (টেকনাফ) নম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্ রিমান্ড আবেদন শুনানি করে ৩ জন আসামীর প্রত্যেকের ৭দিনের করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যা মামলায় এজাহার বহির্ভূত সন্দেহজনক আসামী হিসাবে গ্রেপ্তার হওয়া ১৬, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (APBn- এপিবিএন) এর ৩ সদস্যকে চাকুরী থেকে গত ১৮ আগস্ট সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম ইউনিট প্রধান হিসাবে সরকারি চাকুরীবিধি অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •