আব্বাস সিদ্দিকী (আতিক), কুতুবদিয়া:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় সৃষ্ট জোয়ারের প্রভাবে কুতুবদিয়ার উপজেলার উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ।

উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের ফসলের খেত ও রাস্তাঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

বুধবার (১৯ আগষ্ট ) দুপুরের জোয়ারে পানিতে এসব এলাকা প্লাবিত হয়।

প্লাবিত এলাকার মধ্যে রয়েছে- ইউনিয়নের চর ধূরুং, পূর্ব চর ধূরুং, পশ্চিম চর ধূরুং, মিয়ার কাটা, নয়া কাটা, চাঁদের ঘোনা, বাঘখালী, তেলিয়াকাটা, ফয়জানি পাড়া, আকবর বলী পাড়া, চুল্লার পাড়া, মসজিদ পাড়া।

দ্বীপবাসীর অভিযোগ, টেকসই বেড়ীবাঁধ না থাকায় আমবশ্যা ও পূর্ণিমায় তাদের পানির মধ্যে ভাসতে হচ্ছে।

দিনে দুইবার পানি উঠায় জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করেই দিন কাটাতে হচ্ছে পানিবন্দি এলাকার বাসিন্দাদের। এতে নারী ও শিশুরা বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে চর ধূরুং, পূর্ব চর ধূরুং, পশ্চিম চর ধূরুং,, ফয়জানি পাড়া, আকবর বলী পাড়া, চুল্লার পাড়া, মসজিদ পাড়ার কয়েক হাজার মানুষ জোয়ার হলেই পানিবন্দি হয়ে পড়েন। এককথায়, এখন স্বপ্ন নিয়ে বাঁচার অনুকূলে নেই বলে জানান।

পানিবন্দি বিবি কোহিনুর, নুরজাহান ও নাঈমা বলেন, জোয়ারে পুরো এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। ঘরে রান্না-বান্না বন্ধ রয়েছে। আমরা খুব দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছি।

এ ব্যাপারে উত্তর ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আ স ম শাহরিয়া চৌধুরী বলেন, কুতুবদিয়া দ্বীপের উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের বেড়িবাধেঁর মধ্যে প্রায় ৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিলীন রয়েছে। এ ভাঙ্গন বেড়িবাঁধ এলাকা দিয়ে চলতি পূর্ণিমার জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে গ্রাম। এতে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে কয়েকশত পরিবার। জোয়ারের পানিতে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও শত একর বীজতলা তলিয়ে গেছে।

প্লাবিত এলাকাসমূহ পরিদর্শন করেন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ও থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম শফিকুল আলম চৌধুরী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •