আবুল কালাম, চট্টগ্রাম:
দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত নগরবাসীর শতভাগ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি বলেন, মানুষের অসহায় মুহুর্তে একজন ডাক্তারই পারেন মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে। একজন রোগীকে নিরাময় করে পরিবার পরিজনকে স্বস্তি দেয়ার চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। এটা অনেক বড় মানবতার কাজ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকালে চসিক নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রশাসক একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের উন্নত চট্টগ্রামের স্বপ্নদ্রষ্টা সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী নগরীতে শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে ভতুর্কি দিয়ে চসিকের আওতায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করেছিলেন। এতে মানুষ আশাজাগানিয়া সুফল ভোগ করেছে। কিন্তু কালস্রোতে তা ধ্বংসের দিকে বিবর্তিত হয়েছে।

তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমার যতটুকু আছে তা উজাড় করে চসিক স্বাস্থ্যসেবার সুনাম ফিরিয়ে আনবো। তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসক ও সংশ্লিস্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে নাগরিক সেবা নিশ্চিতের পরামর্শ দেন। এসময় প্রশাসক কাজে গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে কঠোর হওয়ার বার্তা দিয়ে বলেন, চসিক একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করার এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। তাই ভর্তুকি দিয়ে হলেও নগরবাসীর সেবা অব্যহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, শুধুমাত্র টাকার জন্য যারা এ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হন তারা অমানুষ বলে গণ্য হবেন।

ডাক্তারদের উপলব্দি করা উচিত যে মানুষ পথ সৃষ্টি করে পথ কিন্তু মানুষ সৃষ্টি করতে পারেনা। তিনি বন্দরটিলা হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রুপান্তের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তা করা হবে। তিনি ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে বলেন এই শহরের মানুষকে আপনাদের কাছে আসতে আগ্রহী করে তুলুন। তারা যেন সেবা পায় সেটাই আপনাদের কাছে আমার কাম্য। আপনাদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে মমতা ও স্নেহ এবং সুন্দর ব্যবহার দিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, ইনচার্জ ডা. নাসিম ভুঁইয়া, ডা. আশিষ মুখার্জি, ডা.ইশরাত জাহান, ডা. তৌহিদুল আনোয়ার খান, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •