শেফাইল উদ্দিন, ঈদগাঁও:
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ঈদগাঁও কালিরছড়া বনবিটের অফিসের পাহাড়টি কেটে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনা। দিনের পর দিন পাহাড় কেটে দোকান ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করলেও বিটকর্মকর্তাদের চোখে যেন পড়ছে না। সুযোগ পেয়ে দখলবাজরা তো বেপরোয়া।

সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে রাতদিন দখলবাজি চলছে, এমনটি অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালিরছড়া বন বিটের অফিসের পশ্চিমে মহাসড়কের যাত্রী ছাউনির পেছনের পাহাড়টি কেটে বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করতেছে।

পূর্ব অংশেও চলছে সমানতালে পাহাড় কাটার হিড়িক। হচ্ছে নতুন নতুন বাড়িঘর। মাটি কেটে তৈরি করেছে রাস্তা। এভাবে প্রতিনিয়ত দখল হয়ে যাচ্ছে বন বিভাগের বিভিন্ন জায়গা।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় মোটা অংকের বিনিময়ে বনবিভাগের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড় কাটা হচ্ছে। এসবের সাথে সরকারী দলের কতিপয় নেতার সম্পৃক্ততারও অভিযোগ আসছে। যারা বনকর্তাদের সাথে খুব খাতির রেখে চলেন। আবার দখলবাজদের সাথেও রয়েছে সখ্যতা।

সব মিলিয়ে সরকারি বনভূমি দখলের পেছনে তিনটি শক্তিকে দায়ী করছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে কালিরছড়া বনবিট কর্মকর্তা কামরুল হাসানের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি নুতন এসেছি। সবার সাথে পরিচিত হয়ে ওঠতে পারিনি। বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি।

কেউ পাহাড় কেটে বাড়িঘর নির্মাণ করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুন মিয়া।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •