মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

‘জনতার বাণী’ নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ফরিদুল মোস্তফা খান আরো একটি মামলায় জামিন লাভ করেছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ (টেকনাফ) এর বিজ্ঞ বিচারক তামান্না ফারাহ্ মঙ্গলবার ১৮আগস্ট ফরিদুল মোস্তফাকে তৃতীয় মামলায় জামিন প্রদান করেন। বিষয়টি ফরিদুল মোস্তফা খানের নিয়োজিত প্রধান কৌসুলি, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল মন্নান নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে ফরিদুল মোস্তফা খান ৩টি মামলায় জামিন পেলেন।

ফরিদুল মোস্তফা খানের অপর কৌসুলি এডভোকেট রেজাউল করিম রেজা জানান, ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৬টি মামলার মধ্যে আগে আরো ২টি মারামারির মামলায় তিনি আগে জামিন লাভ করেছেন। আগে জামিন পাওয়া ২টি মামলার নম্বর হলো : জিআর-১০২৭/২০১৯ ইংরেজি এবং এসটি : ২৭৯/২০২০ ইংরেজি।

আজ মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট জামিন হওয়া মামলাটির নম্বর জিআর : ৭৯৮/২০১৯ ইংরেজি। এই মামলাটিও চাঁদাবাজির মামলা। টেকনাফের হোয়াইক্ষ্যং ইউনিয়নের হাজি আবুল হাশেমের পুত্র মফিজ আহমদ ইকবাল বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিল।

ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৬টি মামলার মধ্যে ৩ টিই হচ্ছে চাঁদাবাজির মামলা।

সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল মন্নান আরো জানিয়েছেন, এখনো জামিন না হওয়া মামলা গুলোতেও আইনী লড়াই চালিয়ে ফরিদুল মোস্তফাকে দ্রুততম সময়ে জামিনে মুক্ত করা হবে ইনশাআল্লাহ। এজন্য ফরিদুল মোস্তফার জামিন না হওয়া বাকী ৩টি মামলাও তার জামিনের আবেদন আদালতে এখন শুনানির জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ফরিদুল মোস্তফা খানের যে ৩টি মামলা এখনো জামিন হয়নি সেগুলো হলো-একটি মাদকের, একটি অস্ত্রের ও ১টি চাঁদাবাজির মামলা। যার নম্বর : জিআর- ১০২৫/২০১৯, জিআর- ১০২৬/২০১৯ এবং এসটি : ২৮১/২০২০ (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১)।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাতে মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যাকান্ডের পর ফরিদুল মোস্তফা খানকে প্রায় একবছর আগে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও তার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দিয়ে তাকে কারান্তরীণ রাখার বিষয়টি ব্যাপক আলেচনায় আসে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •